New Rules-2016

Displaying 41-50 of 119 results.

৪২। ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য দাখিল।-

৪২। ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য দাখিল।-(১) কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি-

 (ক) কোনো সরবরাহ প্রদানের বিপরীতে, ২ (দুই) লক্ষ টাকার অধিক  মূল্যমানের কোনো মূসক চালানপত্রে বা চালানপত্রসমূহের অথবা  টার্নওভার কর চালানপত্র বা চালানপত্রসমূহের তথ্য সংশ্লিষ্ট কর  মেয়াদের দাখিলপত্র জমাপ্রদানের সময় বা পূর্বে ফরম “মূসক-৬.১০”এ  অনলাইনে মূসক কম্পিউটার সিস্টেমে প্রেরণ করিবেন;

 (খ) কোনো সরবরাহ গ্রহণের বিপরীতে, ২ (দুই) লক্ষ টাকারঅধিক মূল্যমানের  মূসক চালানপত্র বা চালানপত্রসমূহের অথবা টার্নওভার কর চালানপত্র বা

 চালানপত্রসমূহের তথ্য সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের দাখিলপত্র জমা প্রদানের সময়  বা পূর্বে ফরম “মূসক-৬.১০”এ মূসক কম্পিউটার সিস্টেমে প্রেরণ

 করিবেন।

 (২) কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি অনলাইনে তথ্য প্রেরণে অসমর্থ হইলে তিনি তাহা [সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার] নিকট দাখিল করিবেন।

 (৩) উপ-বিধি (১) এর তথ্য প্রেরণের প্রক্রিয়া, তথ্যের কাঠামো, নিরাপত্তা, তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ, সফটওয়্যার তালিকাভুক্তির শর্ত ও পদ্ধতি ইত্যাদি নির্ধারণের লক্ষ্যে বোর্ড নির্দেশনা (এঁরফবষরহব) জারি করিতে পারিবে।

 (৪) উপ-বিধি (৩) এর অধীন তালিকাভুক্ত সফটওয়্যারের একটি তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হইবে।

 (৫) যথাযথ অবকাঠামো তৈরি সাপেক্ষে, করদাতা কর্তৃক ব্যবহৃত পিওএস, ইসিআর, সফটওয়্যার বা অন্যকোনো বিক্রয় মেশিন হইতে বোর্ড আদেশ দ্বারা নির্ধারিত তারিখ হইতে প্রয়োজনীয় তথ্য মূসক কম্পিউটার সিস্টেমে গ্রহণ করিতে পারিবে।

 (৬) উপ-বিধি (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বর্তমানে যেসকল নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহার করিতেছেন তাহা উপ-বিধি (৩)এর আওতায় জারীকৃত নির্দেশনা (এঁরফবষরহব) এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া বা সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া হালনাগাদকরণ সাপেক্ষে ব্যবহার করা যাইবে।

 (৭) উপ-বিধি (৩), (৫) বা (৬) এর আওতায় কোনো স্বয়ংক্রীয় পদ্ধতিতে

ক্রয়-বিক্রয়সহ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত তথ্য মূসক কম্পিউটার সিস্টেমে প্রেরণের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত ফরম “মূসক-৬.১০”এ তথ্য প্রেরণ আবশ্যক হইবে না।


 মূসক এসআরও নং-৬২-মূসক, তারিখ: ৩০/০৬/২০১৯।

৪৩। প্রতিনিধি কর্তৃক জারীকৃত অথবা প্রতিনিধি বরাবর জারীকৃত দলিল।-

 ৪৩। প্রতিনিধি কর্তৃক জারীকৃত অথবা প্রতিনিধি বরাবর জারীকৃত দলিল।-  (১) যদি কোনো করযোগ্য সরবরাহ মূল সরবরাহকারীর পক্ষে কর্মরত কোনো নিবন্ধিত প্রতিনিধি কর্তৃক প্রদান করা হয়, সেইক্ষেত্রে কর চালানপত্র, ডেবিট বা ক্রেডিট নোটসহ যেকোনো দলিল যাহা মূল সরবরাহকারী কর্তৃক প্রদান করা আবশ্যক, উহা প্রতিনিধি কর্তৃক প্রদান করা যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ চালানপত্র, ডেবিট বা ক্রেডিট নোটসহ যেকোনো দলিল মূল সরবরাহকারীর নামে প্রদান করিতে হইবে এবং উহাতে উক্ত মূল সরবরাহকারীর নাম, ঠিকানা ও ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা উল্লেখ থাকিবে।

 (২) যদি কোনো করযোগ্য সরবরাহ মূল সরবরাহ গ্রহণকারীর পক্ষে কর্মরত কোনো নিবন্ধিত প্রতিনিধির নিকট প্রদান করা হয়, সেইক্ষেত্রে কর চালানপত্র, ডেবিট নোট বা ক্রেডিট নোটসহ যেকোনো দলিল যাহা মূল সরবরাহ গ্রহণকারী বরাবরে প্রদান করা আবশ্যক, উহা প্রতিনিধি বরাবরে প্রদান করা যাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ চালানপত্র ডেবিট বা ক্রেডিট নোটসহ যেকোনো দলিল উহাতে উক্ত মূল সরবরাহ গ্রহণকারীর নাম, ঠিকানা ও ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা উল্লেখ থাকিবে।

৪৪। প্রতিলিপি সংক্রান্ত বাধানিষেধ।-

 ৪৪। প্রতিলিপি সংক্রান্ত বাধানিষেধ।- (১) কোনো করযোগ্য সরবরাহের জন্য মাত্র একটি মূল কর চালানপত্র জারি করা যাইবে, তবে যে ব্যক্তি মূল কর চালানপত্র জারি করিয়াছিলেন তিনি, মূল কর চালানপত্র হারাইয়া গিয়াছে মর্মে কোনো নিবন্ধিত গ্রহীতা দাবি করিয়া থাকিলে, পরিষ্কারভাবে প্রতিলিপি (উঁঢ়ষরপধঃব) উল্লেখপূর্বক একটি অনুলিপি প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) কোনো একটি সরবরাহের বিষয়ে কোনো বিশেষ সমন্বয় সাধনের জন্য মাত্র একটি মূল ক্রেডিট বা ডেবিট নোট জারি করা যাইবে, তবে যে ব্যক্তি মূল ক্রেডিট বা ডেবিট নোট জারি করিয়াছিলেন তিনি, মূল ক্রেডিট অথবা ডেবিট নোট হারাইয়া গিয়াছে মর্মে কোনো নিবন্ধিত গ্রহীতা দাবি করিয়া থাকিলে পরিষ্কারভাবে প্রতিলিপি (উঁঢ়ষপধঃব) উল্লেখপূর্বক একটি অনুলিপি প্রদান করিতে পারিবেন।

৪৫। রপ্তানির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক সমন্বয়।-

৪৫। রপ্তানির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক সমন্বয়।- (১) যেই তারিখে পণ্যটি রপ্তানি করা হইয়াছে অথবা কোনো জাহাজ, উড়োজাহাজ বা অন্যকোনো যানে রপ্তানির লক্ষ্যে বোঝাই করা হইয়াছে উক্ত তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে নিবন্ধিত ব্যক্তিকে হ্রাসকারী সমন্বয়ের

উদ্দেশ্যে ফরম “মূসক-৭.১”এ কমিশনারের নিকট আবেদন করিতে হইবে।

 (২) উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত আবেদনের সহিত নিম্নেবর্ণিত কাগজপত্রাদি দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

(ক) উপকরণ আমদানি ও ব্যবহারের জন্য

(অ) রিলিজ অর্ডার বা শুল্ক-কর পরিশোধের প্রমাণসহ বিল অব এন্ট্রি এর কপি;

(আ) শুল্ক কর্মকর্তা (Customer service) কর্তৃক প্রত্যায়িত ইনভয়েস ও প্যাকিং লিস্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধিত আকারে) এর কপি; ও

(ই) রপ্তানিকৃত পণ্যে আমদানিকৃত উপকরণ ব্যবহারের প্রমাণপত্র; এবং

(খ) পণ্য রপ্তানির জন্য-

(অ) বিল অব লেডিং বা এয়ারওয়ে বিল বা ট্রাক রিসিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এর কপি;

(আ) এক্সপোর্ট জেনারেল মেনিফেস্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এর কপি; ও

(ই) বৈদেশিক মুদ্রা প্রত্যাবাসন সনদ (Proceed Realizetion Certificate-PRC) এর কপি।

 (৩) উপ-বিধি (১) ও (২) এ বর্ণিত শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে কমিশনার আংশিক অথবা সমুুুুুুুুুুুুুুুুুদয় হ্রাসকারী সমন্বয় সাধনের অনুমতি প্রদান করিবেন এবং যে কর মেয়াদে বা মেয়াদসমূহে সমন্বয় সাধন করা যাইবে উহা উল্লেখপূর্বক অনুমতি প্রদান করিয়া

আবেদনারীকে লিখিতভাবে অবহিত করিবেন।

 (৪) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কমিশনার উক্ত আবেদনের উপর সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

 (৫) কমিশনার কর্তৃক জারীকৃত অনুমতিপত্রে উল্লিখিত কর মেয়াদের দাখিলপত্রে আবেদনকারী হ্রাসকারী সমন্বয় সাধন করিবেন।

 (৬) কমিশনার উপ-বিধি (৪) এ নির্ধারিত সময়ে সিদ্ধান্ত প্রদাননা করিলে তিনি আবেদনটি মঞ্জুর করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

 

৪৬। টার্নওভার কর আদায়।-

[৪৬। টার্নওভার কর আদায়।- বোর্ড বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তি প্রদানের লক্ষে নিবন্ধন সীমা নিরুপন ও টার্নওভার কর আদায় পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।]


মূসক এরআরও নং-৬২-মূসক, তারিখ: ৩০-০৬/২০১৯

৪৭। দাখিলপত্র পেশ।-

৪৭। দাখিলপত্র পেশ।- (১) নিবন্ধিত ব্যক্তি ফরম “মূসক-৯.১” এ মূল্য সংযোজন কর দাখিলপত্র এবং তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ফরম “মূসক-৯.২”এ টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ করিবেন।

(২) মূল্য সংযোজন কর বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র কমিশনারের নিকট পেশ করিতে হইবে এবং উহা, অনলাইনে দাখিলের ক্ষেত্র ব্যতীত, নি¤œবর্ণিত ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও যাচাইকৃত হইবে, যথা:-

(ক) নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি;

(খ) যদি উক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশে উপস্থিত না থাকেন, অথবা তাহার পক্ষে অন্যকোনো কারণে দাখিলপত্র স্বাক্ষর করা সম্ভব না হয়, সেইক্ষেত্রে তাহার

 পক্ষে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি অথবা তাহার পক্ষ হইতে এমন কোনো ব্যক্তি যিনি উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষর করার জন্য আমমোক্তারনামা

 প্রাপ্ত;

(গ) নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মূসক পরামর্শক; অথবা

(ঘ) অনাবাসিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহার এজেন্ট।

(৩) কমিশনারের নিকট দাখিলপত্র পেশ করিবার লক্ষ্যে, নি¤œবর্ণিত স্থানে উহা জমা প্রদান করা যাইবে, যথা:-

(ক) অনলাইনে বোর্ডের ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম;

(খ) নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক হয় এমন কোনো কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট বা বিভাগীয় দপ্তর;

(গ) বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো সেবা কেন্দ্র;

(ঘ) বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কমিশনার কর্তৃক পরিচালিত কোনো মেলা;

(ঙ) বোর্ড কর্তৃক আদেশ দ্বারা নির্ধারিত অন্যকোনো স্থান।

৪৮। বিলম্বে দাখিলপত্র পেশের পদ্ধতি।-

৪৮। বিলম্বে দাখিলপত্র পেশের পদ্ধতি।- (১) নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কোনো কর মেয়াদের দাখিলপত্র বিলম্বে পেশ করিতে চাহিলে যথাযথ কারণ উল্লেখ- পূর্বক উক্ত কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ন্যূনতম ৭ (সাত) দিন পূর্বে ফরম “মূসক-৯.৩” এ কমিশনার বরাবর আবেদন করিতে পারিবেন।

 (২) কমিশনার আবেদনে প্রদর্শিত কারণ যুক্তিযুক্ত বিবেচনা করিলে আবেদন প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে তাহা অনুমোদন করিবেন।

 (৩) উপ-বিধি (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনারসিদ্ধান্ত প্রদান না করিলে তাহা অনুমোদিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

 (৪) দাখিলপত্র বিলম্বে দাখিলের আবেদন গৃহীত হইলে এবং কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাহা দাখিল করা হইলে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তিকে ধারা ৮৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর অধীন জরিমানা প্রদান করিতে হইবে না; তবে তাহাকেধারা ১২৭ এর অধীন সুদ প্রদান করিতে হইবে।

 (৫) নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বিলম্বে দাখিলপত্র দাখিলের জন্য এই বিধির অধীন কমিশনারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ না করিলে তাহাকে ধারা ৮৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর অধীন জরিমানা এবং ধারা ১২৭ এর অধীন সুদ পরিশোধ করিতে হইবে।

৪৯। দাখিলপত্র সংশোধন।-

৪৯। দাখিলপত্র সংশোধন।-(১) কোনো করদাতা কর্তৃক মূল্য সংযোজন কর অথবা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ করিবার পর পেশকৃত দাখিলপত্রে নি¤œবর্ণিত ক্ষেত্রে সংশোধনী আনয়ন করা যাইবে, যথা:-

(ক) কোনো করণিক ত্রুটি থাকিলে;

(খ) কোনো হিসাবের ভুল সংক্রান্ত কারণে কর কম পরিশোধিত হইয়া থাকিলে;

(গ) কোনো হিসাবের ভুল সংক্রান্ত কারণে কর বেশি পরিশোধিতহইয়া থাকিলে; বা

(ঘ) জালিয়াতি ব্যতীত অন্যকোনো ধরনের ত্রুটি সম্পাদিত হইয়া থাকিলে।

(২) করদাতা ত্রুটি চিহ্নিত হওয়ার অব্যবহিত পর, করদাতা

(ক) অনলাইনে সংশ্লিষ্ট করমেয়াদের দাখিলপত্রের মাধ্যমে; বা

(খ) অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্র ব্যতিরেকে, ফরম “মূসক-৯.৪”এ কমিশনার বরাবর আবেদন করিবেন; এবং

(গ) আবেদনে সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা ও ত্রুটির কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করিবেন।

 (৩) সংশোধনীর আবেদন-

(ক) সংশ্লিষ্ট দাখিলপত্র দাখিলের ৪ (চার) বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে;

(খ) মূসক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো নিরীক্ষা বা তদন্তের সূচনা করিলে বা অন্যকোনো উপায়ে ত্রুটি উদঘাটিত হইলে দাখিল করা যাইবে না।

 (৪) দাখিলপত্র সংশোধনীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করমেয়াদের নীট প্রদেয় কর হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে, উপ-বিধি (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে কমিশনার উক্ত আবেদনের উপর সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

 (৫) উপ-বিধি (২) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন উপ-বিধি (৪) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না করিলে তাহা মঞ্জুর করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

 (৬) যেইক্ষেত্রে নিরীক্ষা নোটিশ প্রাপ্তির পূর্বে দাখিলপত্র সংশোধনের কোনো অনুরোধ করদাতা কর্তৃক পেশ করা হয় এবং দাখিলপত্র সংশোধনের ফলে নীট প্রদেয় করের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, সেইক্ষেত্রে-

(ক) প্রযোজ্য কম পরিশোধিত করের উপর ধারা ১২৭ এর অধীন সুদ গণনা করিতে হইবে; এবং

(খ) সুদসহ কম পরিশোধিত কর পরিশোধের ক্ষেত্রে দাখিলপত্র সংশোধনজনিত কারণে কোনো অর্থদ- বা জরিমানা আরোপ করা হইবে না।

(৭) যেইক্ষেত্রে নিরীক্ষা নোটিশ প্রাপ্তির পূর্বে দাখিলপত্র সংশোধনের কোনো অনুরোধ করদাতা কর্তৃক পেশ করা হয় এবং দাখিলপত্র সংশোধনের ফলে নীট প্রদেয় করের পরিমাণ হ্রাস পায়, সেইক্ষেত্রে-

(ক) মূল্য সংযোজন কর দাখিলপত্রের ক্ষেত্রে:করদাতা কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত কর মেয়াদে অতিরিক্ত পরিমাণ অর্থের সমপরিমাণ হ্রাসকারী সমন্বয়

 সাধন করিতে পারিবেন;

(খ) টার্নওভার কর দাখিলপত্রের ক্ষেত্রে:কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত কর মেয়াদে অতিরিক্ত পরিমাণ অর্থের সমপরিমাণ অর্থ প্রদেয় টার্নওভার করের পরিমাণ

 হইতে বাদ দিতে পারিবেন; অথবা

(গ) উৎসে কর্তনকারী সত্তার ক্ষেত্রে: কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত ফেরতযোগ্য কর আইনের বিধান অনুযায়ী ফেরত পাইবেন।

৫০। পূর্ণ, অতিরিক্ত অথবা বিকল্প দাখিলপত্র।-

৫০। পূর্ণ, অতিরিক্ত অথবা বিকল্প দাখিলপত্র।-(১) কমিশনার কর মেয়াদ ও দাখিলপত্র দাখিলের সময় নির্ধারণপূর্বক কোনো ব্যক্তিকে, তাহার নিজের পক্ষে হউক কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির এজেন্ট অথবা ট্রাস্টি হিসাবে হউক, একটি “পূর্ণ, অতিরিক্ত বা বিকল্প দাখিলপত্র” পেশ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) উক্ত ব্যক্তি উপ-বিধি (১) এর অধীন আদেশ প্রাপ্তির পর আদেশে বর্ণিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের জন্য একটি “পূর্ণ, অতিরিক্ত বা বিকল্প দাখিলপত্র” পেশ করিবেন।

(৩) উক্ত ব্যক্তি যদি ইতঃপূর্বে সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের নিয়মিত দাখিলপত্র পেশ করিয়া থাকেন তাহা হইলে এই বিধির অধীন দাখিলকৃত “পূর্ণ, অতিরিক্ত বা বিকল্প দাখিলপত্র”দ্বারা তাহা প্রতিস্থাপিত হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে।

(৪) উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে নির্দেশিত “পূর্ণ, অতিরিক্ত বা বিকল্প দাখিলপত্র” পেশ করিতে ব্যর্থতা বা পেশ না করা ধারা ৮৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর ব্যর্থতা বা অনিয়ম হিসাবে গণ্য হইবে।

৫১। ডাক বা বাহক মারফত দাখিলপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে সময় গণনা।–

 ৫১। ডাক বা বাহক মারফত দাখিলপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে সময় গণনা।– ধারা ৬৪ এর উপধারা

 (১) এ উল্লিখিত সময়সীমা ডাকে বা বাহক মারফত প্রেরিত দাখিলপত্রের ক্ষেত্রে উহা গ্রহণের তারিখ হইতে গণনা করা হইবে।