Business Blog

Displaying 31-40 of 82 results.

মোট আয়ের উপর নিরূপিত প্রদেয় কর থেকে অগ্রীম পরিশোধিত কর সমন্বয় সাধন

(ক) উৎস হতে কর্তিত/সংগৃহীত করঃ
আয় বছরে করদাতার আয় থেকে উৎসে কর কেটে রাখা হলে তা  প্রচলিত রিটার্ন ফরম আইটি-১১গ এর  ১৬ নং ক্রমিকে  উল্লেখ করতে হবে। যেমন বেতন থেকে, ব্যাংক সুদ থেকে, গৃহ স¤পত্তির বার্ষিক ভাড়া থেকে, পেশাগত ফি থেকে উৎসে কেটে রাখা কর এখানে দেখাতে হবে। উৎসে কেটে রাখা করের  স্বপক্ষে কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট  রিটার্নের  সাথে  দাখিল করতে হবে।

(খ) ধারা ৬৪/৬৮ অনুযায়ী প্রদত্ত অগ্রিম করঃ
করদাতা যদি অগ্রিম কর পরিশোধ করে থাকেন, তাহলে পরিশোধিত করের পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে এবং চালানের কপিও সাথে দিতে হবে।
 
(গ)  রিটার্নের ভিত্তিতে প্রদত্ত কর (ধারা ৭৪ অনুযায়ী)
রিটার্নে প্রদর্শিত মোট আয়ের ভিত্তিতে নিরূপিত প্রদেয় আয়কর হতে উৎসে কর্তিত  কর  এবং  ৬৪  ধারায়  অগ্রীম  প্রদত্ত  কর  বিয়োগকরে  অবশিষ্ট  কর পরিশোধের  সমর্থনে  চালান,  পে-অর্ডার,  ব্যাংক  ড্রাফট,  একাউন্ট  পেয়ী চেকের কপি দাখিলসহ পরিশোধিত করের পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।
 
(ঘ)  প্রত্যর্পনযোগ্য করের সমন্বয়ঃ
আগের বছরগুলোতে করদাতার যদি কর ফেরত দাবী থাকে তবে তা তিনি এখানে কর পরিশোধ হিসেবে দাবী করতে পারবেন। ধরা যাক ২০১৫-১৬ কর বছরে করদাতার ফেরতযোগ্য করের পরিমাণ ছিল ৫,০০০/-  টাকা। ২০১৬-১৭ কর বছরে রিটার্নে প্রদর্শিত আয় অনুসারে প্রদেয় মোট আয়করের পরিমাণ ৮,০০০/-  টাকা। এ অবস্থায়  ২০১৫-১৬  কর বছরের ফেরতযোগ্য ৫,০০০/-  টাকা  ২০১৬-১৭  কর বছরে কর দাবীর বিপরীতে কর পরিশোধ হিসেবে দাবী করতে  পারবেন এবং ২০১৬-২০১৭  কর বছরের জন্য তাঁকে অবশিষ্ট ৩,০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আয়কর রিটার্ন ফরম কিভাবে পূরণ করতে হবে?

২০১৬-২০১৭ কর বর্ষে নতুন ফরমসহ ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতারা চার শ্রেণীর ফরম আছে আগের এবং বর্তমান ফরমের মধ্যে করদাতা যেটি সুবিধা মনে করবেন সেটি ব্যবহার করবেন।
নিম্নে ফরম চারটি উল্লেখ করা হল
১.    যে সকল ব্যক্তি করদাতার বেতন খাত হতে আয় রয়েছে সে সকল করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন ফরম (IT-11UMA) প্রযোজ্য হবে।
●    রিটার্ন  ফরমটি  কেবল  বেতনভূক্ত  করদাতাদের  জন্য  প্রণয়ন  করা  হয়েছে (পরিশিষ্ট-খ)।  করদাতার পরিচিতিমূলক তথ্য, বিভিন্ন খাতের আয়ের বিবরণ এবং প্রদেয় ও পরিশোধিত আয়করের বিবরণ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
●    রিটার্নটির  অপর  পৃষ্ঠায়  বেতনভূক্ত  করদাতাদের  জন্য  প্রণীত  পৃথক  সম্পদ বিবরণী (IT-10BBB) এর ছক মুদ্রিত আছে।
●    রিটার্ন ফরমটির সাথে ফরম পূরণের অনুসরণীয় নির্দেশাবলী রয়েছে।
●    এ  রিটার্ন  ফরমের  সাথে  জীবনযাত্রার  মান  সম্পর্কিত  তথ্য  বিবরণী  বা  ফরম আইটি-১০বিবি দাখিল বাধ্যতামূলক নয়। তবে কোন করদাতা ইচ্ছা পোষণ করলে আইটি-১০বিবি দাখিল করতে পারবেন।
●    উল্লেখ্য, এ ধরণের করদাতারা ইচ্ছা করলে আইটি-১১ঙ এর পরিবর্তে ব্যক্তি শ্রেণীর জন্য প্রচলিত  আট পৃষ্ঠার  আয়কর রিটার্ন ফরম আইটি-১১গ ব্যবহার করতে পারবেন।
●    রিটার্ন  ফরমটি  পুরণকালে  করদাতাগণ  এই  নির্দেশিকার  তৃতীয়  ভাগে  বর্ণিত পদ্ধতিতে বিভিন্নখাতের আয় পরিগণনা করে রিটার্নের নির্দিষ্ট অংশে লিপিবদ্ধ করতে পারেন। ফরমটি ৫৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে
২.    যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশাখাতে আয় রয়েছে ও এরূপ আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকার বেশী নয় সে সকল করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন ফরম (IT-11CHA)  প্রযোজ্য হবে।
●    যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশাখাতে আয় রয়েছে এবং এরূপ আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকার বেশী নয় সে সকল করদাতার জন্য এই আয়কর রিটার্ন ফরম  (IT-11CHA)  প্রণয়ন  করা  হয়েছে  (পরিশিষ্ট-গ পৃষ্ঠা নং ৫৫ )।  করদাতার পরিচিতিমূলক তথ্য, বিভিন্ন খাতের আয়ের বিবরণ এবং প্রদেয় ও পরিশোধিত আয়করের বিবরণ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
●    রিটার্নটির  অপর  পৃষ্ঠায়  এ  ধরনের  করদাতাদের  জন্য  পৃথক  সম্পদ  বিবরণী (IT-10BBBB) এর ছক মুদ্রিত আছে।
●    রিটার্ন ফরমটির সাথে ফরম পূরণের অনুসরণীয় নির্দেশাবলী রয়েছে।
●    এ  রিটার্ন  ফরমের  সাথে  জীবনযাত্রার  মান  সম্পর্কিত  তথ্য  বিবরণী  বা  ফরম আইটি-১০বিবি দাখিল বাধ্যতামূলক নয়। তবে কোন করদাতা ইচ্ছা পোষণ করলে আইটি-১০বিবি দাখিল করতে পারবেন।  
●    উল্লেখ্য, এ ধরণের করদাতারা ইচ্ছা করলে আইটি-১১চ এর পরিবর্তে ব্যক্তি শ্রেণীর জন্য প্রচলিত  আট পৃষ্ঠার  আয়কর রিটার্ন ফরম আইটি-১১গ ব্যবহার করতে পারবেন।
●    রিটার্ন  ফরমটি  পূরণকালে  করদাতাগণ  এই  নির্দেশিকার  তৃতীয়  ভাগে  বর্ণিত পদ্ধতিতে বিভিন্নখাতের আয় পরিগণনা করে রিটার্নের নির্দিষ্ট অংশে লিপিবদ্ধ করতে পারেন। ফরমটি ৫৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে।
 ৩.    যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশাখাতে আয় ৩ লক্ষ  টাকার বেশী  সে সকল করদাতার জন্য পূর্বের ফরম (IT-11GA) প্রযোজ্য হবে।
    এ ফরম বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় চালু আছে (পরিশিষ্ট-ঘ)। সকল ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতা এ ফরমটি ব্যবহার করতে পারবেন। এই রিটার্নটি আট পৃষ্ঠা বিশিষ্ট যার প্রথম পৃষ্ঠায় করদাতার পরিচিতিমূলক তথ্য, দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় করদাতার বিভিন্ন খাতের আয়ের বিবরণ, প্রদেয় ও পরিশোধিত আয়করের বিবরণ ও প্রতিপাদন, তৃতীয় পৃষ্ঠায় বেতন ও গৃহস¤পত্তি  আয়ের  বিস্তারিত  বিবরণ  সম্বলিত  পৃথক  দু’টি  তফসিল,  চতুর্থ  পৃষ্ঠায় বিনিয়োগজনিত  কর  রেয়াতের  একটি  তফসিল  ও  দাখিলকৃত  প্রমাণাদির  তালিকা লিপিবদ্ধ করার ছক রয়েছে। রিটার্নের পঞ্চম ও ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় করদাতার স¤পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী, সপ্তম পৃষ্ঠায় জীবনযাত্রার মান স¤পর্কিত তথ্যের বিবরণী এবং শেষ পৃষ্ঠায় রিটার্ন ফরম পূরণের অনুসরণীয় নির্দেশাবলী রয়েছে।  তবে ১নং, ২নং এ বর্ণিত করদাতারাও ইচ্ছা করলে এই ফরম ব্যবহার করতে পারবেন। ফরমটি ৫৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে।
 ৪.  সকল ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার জন্য ফরম আইট-১১গ-২০১৬
(১) ব্যক্তি করদাতার জন্য নতুন প্রবর্তিত রিটার্ন ফরম ITGA2016 এর মূল রিটার্নটি তিন পৃষ্ঠার (পরিশিষ্ট-ঙ)। মূল রিটার্নের সাথে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বেতন, গৃহ সম্পত্তির আয়, ব্যবসায় বা পেশা খাতে আয় ও কর রেয়াতের জন্য পৃথক তফসিল সংযুক্ত করতে হবে। তিন পৃষ্ঠার মূল রিটার্ন পূরণ করা সকল ব্যক্তি করদাতাদের জন্য বাধ্যতামূলক। এত প্রথম পৃষ্ঠায় করদাতার বিষয়ে মৌলিক তথ্য, দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় আয় ও করের হিসাব এবং তৃতীয় পৃষ্ঠায় সংলাগ, করদাতার প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

করদাতার আয়ের উৎসের উপর নির্ভর করে মূল রিটার্নের সাথে তফসিল যোগ হবে। বেতন আয় থাকলে বেতন সংক্রান্ত তফসিল 24A, বাড়িভাড়া  আয় থাকলে সে আয়ের তফসিল 24B এবং ব্যবসায় বা পেশাগত আয় থাকলে ব্যবসায় বা পেশাগত আয়ের তফসিল 24C মূল রিটার্নের সাথে যোগ হবে। যে করদাতার এসব কোন খাতের আয় নেই তার কেবল তিন পৃষ্ঠার মূল রিটার্ন দাখিল করলেই চলবে, তফসিল দাখিল করার প্রয়োজন হবে না।

কেউ বিনিয়োগ রেয়াত দাবি করলে মূল রিটার্নের সাথে বিনিয়োগ রেয়াত সংক্রান্ত তফসিল 24D দাখিল করতে হবে। করদাতা রেয়াত দাবি না করলে তফসিল 24D দাখিল করার প্রয়োজন হবেনা।

মূল রিটার্নের প্রথম পৃষ্ঠার ০১ হতে ২৩ পর্যন্ত ক্রমিকে করদাতার বিষয়ে মৌলিক তথ্য প্রদান করতে হবে। এ অংশে পর্যায়ক্রমে কর বছর, করদাতার নাম, লিঙ্গ, টিআইএন, সার্কেল, কর অঞ্চল, আবাসিক মর্যাদা, বিশেষ কর অব্যাহতি সুবধাপ্রাপ্তির যোগ্যতা  গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধি ব্যক্তি, ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তি, প্রতিবন্ধি ব্যক্তির পিতামাত বা আইনানুগ অভিভাবক ইত্যাদি), জন্ম তারিখ, আয় বছর ইত্যাদি সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে। ১২ ক্রমিকে আয় বছর শুরু ও সমাপ্তির তারিখ উল্লেখ করতে হবে।

রিটার্নের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার ২৪ হতে ৪৮ ক্রমিকে করদাতা আয় ও করের তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
রিটার্নের তৃতীয় পৃষ্ঠায় সংলাগ, করদাতার প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।
কোন ব্যক্তি করদাতা প্রতিবন্ধি সন্তানের জন্য অতিরিক্ত করমুক্ত সীমার সুবিধা গ্রহণ করলে, তার স্ত্রী/স্বমী অনুরূপ সুবিধা গ্রহণ করেছেন কি-না তার তথ্য ৫০ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

ক্রমিক নং-৫১ তে ৮০(১) ধারা অনুযায়ী করদাতার জন্য পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী (IT-10B2016)
করদাতার রিটার্নের সাথে যে সকল তফসিল সংযুক্ত করা হয়েছে তার তথ্য ৫২ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

করদাতার রিটার্নের সাথে পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী (IT-10B2016) এবং জীবনযাত্রা সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিবরণী (IT-10B2016) সংযুক্ত করা হয়েছে কি না তার তথ্য ৫৩ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

কোন ব্যক্তি-করদাতার ক্ষেত্রে পরিসম্পদ , দায় ও ব্যয় বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক না হলেও করদাতা চাইলে স্বপ্রণোদিতভাবে voluntarily) পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী দাখিল করতে পারবেন।
ক্রমিক নং-৫৪ তে রিটার্নের বিভিন্ন উৎসের আয় ও কর পরিশোধের স্বপক্ষে যে সকর প্রমাণাদি দাখিল করবেন তার তালিকা প্রদান করবেন।
ক্রমিক নং-৫৫ তে করদাতার পূর্ণ নাম উল্লেখ করবেন এবং রিটার্নে প্রদর্শিত আয়ের সত্যতা সম্পর্কে ৭৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর (তারিখ সহ) প্রদান করবেন।
www.goldenbusinessbd.com -এ ফরমগুলো কনভার্ট করে দেওয়া  হয়েছে। শুধুমাত্র আপনার তথ্যগুলো ফরমে Input দিলে ১০/১৫ মিনিটের মধ্যেই আপনার রিটার্নটি তৈরি হয়ে যাবে। ফাইলটি সেভ করে প্রিন্ট দিয়ে এর সাথে প্রয়োজনীয় কাগজ সংযুক্তি করে আয়কর  অফিসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।

কোম্পানী ব্যতীত নির্দিষ্ট করদাতার উপর সর্বোচ্চ করহার

কোম্পানী ব্যতীত নিম্নোক্ত অন্যান্য করদাতার উপর নিম্নরূপ সর্বোচ্চ হারে আয়কর আরোপিত হবে:

করদাতার শ্রেণী করহার
(১) কোম্পানী নয়, বাংলাদেশে অনিবাসী (অননিবাসী বাংলাদেশী ব্যতীত) এরূপ ব্যক্তি শ্রেণীভূক্ত করদাতার ক্ষেত্রে আয়ের উপর-- ৩০%
(২) কোম্পানী নয়, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সকল প্রকার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারক এরূপ করদাতার উক্ত ব্যবসায় হতে অর্জিত আয়ের উপর-- ৪৫%
(৩) সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিবন্ধীত সমবায় সমিতির ক্ষেত্রে আয়ের উপর-- ১৫%

  

ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প থেকে উদ্ভূত আয়ের উপর আয়কর রেয়াত

কোন ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতা যদি স্বল্প উন্নত এলাকা (less developed area) বা সবচেয়ে কম উন্নত এলাকায় (least developed area) অবস্থিত কোন ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্পের মালিক হন এবং উক্ত কুটির শিল্পের দ্রব্যাদি উৎপাদনে নিয়োজিত থাকেন, তাহলে তিনি উক্ত ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প থেকে উদ্ভূত আয়ের উপর নিম্নবর্ণিত হারে আয়কর রেয়াত লাভ করবেন।
  

বিবরণ রেয়াতের হার
যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বৎসরের উৎপাদনের পরিমাণ পূর্ববর্তী বৎসরের উৎপাদনের পরিমাণের তুলনায় ১৫% এর অধিক, কিন্তু ২৫% এর অধিক নয়; প্রদেয় আয়করের ৫%;
যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বৎসরের উৎপাদনের পরিমাণ পূর্ববর্তী বৎসরের উৎপাদনের
পরিমাণের তুলনায় ২৫% এর অধিক হয়। 
প্রদেয় আয়করের ১০%

                  

       

   
  

করমুক্ত সীমার ঊর্ধ্বের আয়ের ক্ষেত্রে প্রদেয় ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ এলাকাভেদে

এলাকার বিবরণ    ন্যূনতম করের হার

ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা ৫,০০০/-টাকা
অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা  ৪,০০০/-টাকা
সিটি করপোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত করদাতা ৩,০০০/-টাকা

 

  • ন্যূনতম আয়করের এ বিধানের ফলে একজন করদাতার আয় যে কোন স্থানেই অর্জিত হউক না কেন তিনি যেখানে অবস্থান করবেন তাঁর সে অবস্থানের ভিত্তিতেই ন্যূনতম করের হার নির্ধারণ হবে। তবে কোন করদাতা যদি একই আয় বছরে একাধিক স্থানে অবস্থান করে থাকেন তাহলে যে স্থানে তিনি সর্বাধিককাল অবস্থান করেছেন সে অবস্থানস্থলের জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম কর হার তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
  • ব্যবসা আয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার মূখ্য স্থানই ন্যূনতম করের জন্য একজন করদাতার অবস্থানস্থল হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • একজন চাকুরীজীবি করদাতা আয়বছরে একাধিক স্থানে কর্মরত থাকলে যে স্থানে তিনি অধিক কাল কর্মরত ছিলেন ন্যূনতম করের জন্য সে স্থানই তাঁর অবস্থানস্থল বলে বিবেচিত হবে।
  • করদাতা অনিবাসী হলে বাংলাদেশে তিনি যে ঠিকানা ব্যবহার করেন সে ঠিকানাই তাঁর অবস্থানস্থল হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • করমুক্ত সীমার উর্ধ্বে আয় আছে এমন করদাতার প্রদেয় আয়করের পরিমাণ হিসাব অনুযায়ী তাঁর জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ অপেক্ষা কম হলে বা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত বিবেচনার পর প্রদেয় আয়করের পরিমাণ প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়করের কম বা ঋণাত্মক হলেও তাঁকে তাঁর জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

২০১৬-২০১৭ কর বছরের জন্য প্রযোজ্য আয়কর হার

(ক) ব্যক্তি করদাতাসহ অন্যান্য করদাতার  (কোম্পানী ব্যতীত) জন্য সাধারণ করহারঃ
(১)    অর্থ আইন, ২০১৬ তে বর্ণিত করহারের তফসিল অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশীসহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশিদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসহ অন্যান্য করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর প্রযোজ্য কর হার হবে নিম্নরূপঃ


প্রথম ২,৫০,০০০/ -টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর
শূন্য
পরবর্তী  ৪,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০/-টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর ২৫%
অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর...... ৩০%

   
তবে, উপরোল্লিখিত কর হার করদাতার মর্যাদা নির্বিশেষে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সকল প্রকার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারক করদাতার উক্ত ব্যবসায় হতে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(২) মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ বয়সের পুরুষ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা  ৩,০০,০০০/-টাকা।
(৩) প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০/-টাকা।
(৪) গেজেটভূক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার আয়ের সীমা ৪,২৫,০০০/- টাকা।
কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাত বা আইনানূগ অভিভাবকের জন্য করমুক্ত সীমা ২৫,০০০/- টাকা বেশি হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হলে যেকোন একজন এ সুবিধা পাবেন। 

নিবাসী/অনিবাসী কিভাবে নির্ধারিত হয়?

করদাতা যদি একটি আয় বছরে  (Income Year)  একটানা বা অনিয়মিতভাবে কমপক্ষে ১৮২ দিন বাংলাদেশে থাকেন, তাহলে তিনি ’নিবাসী’ ঘরে টিক (√) দেবেন; তা নাহলে ’অনিবাসী’ ঘরে টিক (√) দিতে হবে। তবে কোন ব্যক্তি যদি আয় বছরে একটানা বা অনিয়মিতভাবে কমপক্ষে ৯০ দিন বাংলাদেশে অবস্থান করেন এবং এর পূর্ববর্তী ৪ বছরে একটানা বা অনিয়মিতভাবে সর্বমোট কমপক্ষে ৩৬৫ দিন বাংলাদেশে অবস্থান করেন তাহলেও তিনি নিবাসী হিসেবে গণ্য হবেন বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের সকল কর্মকর্তাকর্মচারী  কিংবা বিদেশে কর্মরত সকল সরকারি কর্মকর্তাকর্মচারী  নিবাসী হিসাবে রিটার্ন দাখিল করবেন।

কর বছর বলতে কি বুঝায়?

করদাতা যে বছরে আয় করেন তার পরের বছর হলো কর বছর। যেমন, ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত  সময়ে করদাতা যে আয় করেন তাঁর কর বছর হবে  ২০১৬-২০১৭।  আবার  পঞ্জিকা  বছর  অনুযায়ী  অর্থাৎ  ১  জানুয়ারী  ২০১৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত  কোন করদাতা হিসাবের খাতা রাখলে তাঁরও কর বছর হবে  ২০১৬-২০১৭।  যদি  বাংলা  বছর অনুযায়ী  হিসাবের খাতাপত্র  রাখেন অর্থাৎ তার আয় বছর যদি ১৩ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে শেষ হয় তাহলেও কর বছর হবে ২০১৬-২০১৭।

TIN (টিআইএন) সনদ এর প্রয়োজনীয়তা, ধারা 184A

আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর 184A ধারার মাধ্যমে বিদ্যমান বিধান অনুসারে ২৭টি ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট টিআইএন সনদ দাখিলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ১২ ডিজিটের টিআইএন সনদ দাখিল করার বিধান করা হয়েছে।
(১)    আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র (এলসি) খেলার সময়;
(২)    আমদানি রেজিষ্ট্রেশন সার্র্টিফিকেট পাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদনের সময়;
(৩)    সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভা এলাকা বা বিভাগীয় সদর দপ্তর এর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করারর ক্ষেত্রে;
(৪)    চুক্তিকার্যকর, পণ্য সরবরাহ বা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দরপত্র দাখিলের সময়;
(৫)    কোম্পানী আইন ১৯৯৪-এর আওতায় নিবন্ধনকৃত কোন ক্লাবের সদস্য হবার জন্য আবেদন দাখিল করার সময়;    
(৬)    সাধারন বীমার সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্তি বা লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের সময়;
(৭)    কোন সিটি করর্পোরেশন অথবা কোন জেলা সদর দপ্তরস্থ পৌরসভা এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন ভূমি, ইমারত বা কোন ফ্লাটের চুক্তিমূল্য যদি এক লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হয় সে ক্ষেত্রে ঐ ভূমি ভবন বা ফ্লাটের ক্রয়ের রেজিষ্ট্রেশনের সময়। তবে সিটি করর্পোরেশন এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন  ভূমি ভবন বা কোন ফ্লাটের ক্রেতা বাংলাদেশের অনিবাসী হইলে তার ক্রয়ের রেজিষ্ট্রেশনের সময় এর বিধান কার্যকর  হইবে না;
(৮)    কার, জিপ বা মাইক্রোবাসের নিবন্ধন, মালিকানা বদল বা ফিটনেস রেজিষ্ট্রেশন নবায়নের সময়;
(৯)    কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানী কর্তৃক কোন ব্যাক্তিকে পাঁচ লক্ষ টাকার অধিক ঋণ বরাদ্দ দানের সময়;
(১০)    ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর সময়;
(১১)    ডাক্তার, চার্টার্ড একাউনন্ট্যান্ট, কষ্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউনন্ট্যান্ট, আইনজীবি বা আয়কর পেশাজীবির পেশাদারীর লাইসেন্স অনুমোদনের সময়;
(১২)     কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সন এর ১৮নং আইন) এর আওতায় কোম্পানীর স্পন্সর ডাইরেক্টদের রেজিষ্ট্রেশনের  সময় এবং যেকোন শেয়ারহোল্ডারের সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর পরিচালক হওয়ার ক্ষেত্রে। অনিবাসী বিদেশী নাগরিকের ক্ষেত্রে কোম্পানীর পরিচালক বা স্পন্সর শেয়ার হোল্ডারের জন্য টিআইএন প্রযোজ্য নয়;
(১৩)    মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪ এর আওতায় নিকাহ রেজিষ্টারের লাইসেন্স প্রদানের সময়। তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি ইতোমধ্যে নিকাহ রেজিষ্টার হিসাবে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছে, তার ক্ষেত্রে অত্র বিধান কার্যকর হওয়ার  তিন মাসের মধ্যে টি.আই.এন সনদ সংগ্রহ করতে হবে;
(১৪)    কোন ব্যবসা সংস্থার সদস্য পদের জন্য আবেদন বা উহা নবায়নের সময়;  
(১৫)    ইমারত নির্মানের নিমিত্তে  রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(রাজউক), চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ), খুলনা  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)  অনুমোদনের সময় টিআইএন সনদ দাখিল করতে হবে।
(১৬)    ড্রাগ লাইসেন্স ইস্যুর সময়;
(১৭)    সিটি করর্পোরেশন, পৌরসভা  বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর আওতাধীন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গ্যাস সংযোগের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ;
(১৮)    সিটি করর্পোরেশন, পৌরসভা  বা ক্যান্টমেন্ট বোর্ড এর আওতাধীন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ;
(১৯)    ভাড়ায় চালিত বাস, ট্রাক, প্রাইমমুভার, লরী বা এরূপ পরিবহনের রেজিষ্ট্রেশন বা ফিটনেস নবায়নের সময় বা মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ;
(২০)    ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, ষ্টীমার, মৎস শিকারের ট্রলার, কার্গো, কোষ্টার, ডাম্প বার্জ ইত্যাদির সার্ভে সার্টিফিকেট ইস্যু বা নবায়ন;
(২১)    ইন্সুরেন্স কোম্পানীর এজেন্টের সার্টিফিকেট রেজিষ্ট্রেশন বা নবায়ন;
(২২)    উপ কর কমিশনারের কার্যালয় বা পরিবেশ দপ্তর কর্তৃক ইট উৎপাদনের জন্য ক্ষেত্র অনুসারে অনুমোতি প্রদান বা প্রদত্ত অনুমতি নবায়নের সময়;
(২৩)    উপজেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার ক্ষেত্রে;
(২৪)    সিটি কর্পোরেশন অথবা জেলা সদরের পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কারিকুলাম অনুযায়ী শিক্ষাদানরত কোন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে উক্ত শিক্ষার্থীর মাতা বা পিতা বা অভিভাবকের ক্ষেত্রে।
(২৫)    চাকরি (বেতন ভাতাদি আদেশ, ২০১৫ অথবা ২০১৫ সালে প্রবর্তিত অন্যান্য পে-স্কেল এ দশম বা সমতুল্য গ্রেড বেতন ভাতা প্রাপ্ত Emplyee;
(২৬)    সরকারি উৎস থেকে এমপিও ভুক্তির আওতায় ১৬,০০০/- টাকা বা তদূর্ধ্ব বেতন ভাতা প্রকৃতির কোন অর্থ প্রাপ্ত হলে;
(২৭)    ব্যবস্থাপনা ও প্রাশাসনিক পদে বা উৎপাদনের সুপারভাইজার পদে নিয়জিত সকল Emplyee।

 

জাল করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ব্যবহারের জন্য জরিমানা/শাস্তির বিধান

জাল করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীর উপর আর্থিক জরিমানা আরোপসহ কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশে নতুন তিনটি ধারা রয়েছে, যা নিম্নরূপঃ
(ক) আয়কর অধ্যাদেশের Section 124A অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গতকারন ছাড়া যদি কোন ব্যক্তি অন্যের টিআইএন ব্যবহার করেন অথবা জাল টিআইএন ব্যবহার করেন বা আয়কর আইন অনূযায়ী যে সব ক্ষেত্রে টিআইএন ব্যবহার বাধ্যতামূলক, সেসব ক্ষেত্রে জাল প্রমান পত্র ব্যবহার করলে, জাল টিআইএন ব্যবহারকারীর উপর সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনার কর্তৃক সর্বোচ্চ ২০,০০০/-টাকা জরিমানা আরোপের বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। তবে জরিমানা আরোপের পূর্বে Section 130 এর বিধান পরিপালন করতে হবে।
(খ) আয়কর অধ্যাদেশের Section 124AA অনুযায়ী 184A ধারায় উল্লেখিত কর্তৃপক্ষ করদাতাকে  সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান কালে টিআইএন সনদ যাচাই না করলে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে।
(গ) আয়কর অধ্যাদেশের Section 165A অনুযায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে (Deliberately) যদি কোন ব্যক্তি জাল টিআইএন ব্যবহার করেন বা অন্যের টিআইএন ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদন্ড বা ৫০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে।