Business Blog

Displaying 1-10 of 60 results.

Fire License Registration Procedure

Picture

Fire License Registration Procedure

Obtaining a Fire license is mandatory for an industrial enterprise. It has to be collected before having a trade license. The following papers should be submitted by to obtain a fire license:

 

  1. Selection of fire extinguisher and 2 sets of layout plan of the factory

  2. Bank Solvency Certificate

  3. Trade License

  4. Statement of firefighting Instruments and spare parts

  5. Tax payer’s Identification Number (TIN)

 

 

Permission of the Department of Environment

Picture

Permission of the Department of Environment

Protection of environment has become an important issue all over world in recent year. Permission of the Department of Environment is essential for establishing an industrial unit in any place in Bangladesh. The following documents should have to be submitted for the purpose:

  1. Application in a prescribed form

  2. Feasibility Study Report

  3. No objection Letter from two neighbors.

  4.  Lay out design of the waste discharge and filter process

  5. Trade License

  6. Affidavit through a notary public in a non-judicial stamp of the worth Tk. 50.00 for environment protection and development, Prevention of pollution, remedy and control.

Procedure of Approval of RAJUK

Picture

Procedure of Approval of RAJUK

As long as you purchase or are having lease of a plot of land, you have to take steps for the construction of building as per your plan. If the land were located in the RAJUK area, you have to get an approval for construction from RAJUK, if it is outside the RAJUK area, permission should be obtained from concerned authorities.

The following documents should be furnished to RAJUK for getting an approval:

  1. Application in a prescribed from provided by Rajuk

  2. A copy CS record and design of the location of the plot

  3. Lay out plan sketch and other design

  4. Design to be drafted as per DIT instructions

  5. Document of time Extension

  6. Route map of entrance to the plot

  7. Evidence of the ownership of the land

  8. If the plot is in private ownership, the clearance of RAJUK is necessary

  9. In cash the land is allotted by the government or RAJUK Certificate of No Objection from the concerned authority is necessary

ট্রেড লাইসেন্স এর নিয়মাবলী

Picture

ব্যবসায়ীর প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স, তাই কিভাবে এটি করতে হয় এবং ট্রেড লাইসেন্স কি? সম্পর্কে জেনে নিন কিছু তথ্য

ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন (A license is required and why)

সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সুচনা ঘটে । এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়ে থাকে । ব্যবসার প্রম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স (Trade Licence), আমাদের দেশে এমন অনেক সফল উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন কিন্তু এটা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধি । Trade মানে হচ্ছে ব্যবসা আর Licence মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । এই ট্রেড লাইসেন্স বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ (City Corporation Taxation Rules, 1983) এর অধিনে ইস্যু করে থাকে । যেহেতু এই ট্রেড লাইসেন্স সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয় তাই আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতিক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স ।

কোন জায়গা/প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (Places / institutions to trade licenses)

সিটি করর্পোরেশন,পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে ।

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (How to Trade License)

নির্ধারিত আবেদন ফর্মে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয় । উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে। আবেদন ফরম এর সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয় । ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন এর সাথে কি কি কাগজ পত্র জমা দিতে হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিবেন । নিম্নে বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার জন্য কি কি ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে তার একটি তালিকা দেয়া হলো:

সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (general business license)

  • দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সপরিশোদের এর ফটোকপি ।
  • আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।
  • ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ১৫০/৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে ।

ফ্যাক্টরির/কারখানা ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (Factory / factories in the case of a trade license)

  • পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি ।
  • প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।
  • প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা ।
  • ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র ।
  • ঢাকা সিটিকর্পোরেশন এর নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা ১৫০/৩০০ টাকারজুডিশিয়ার স্ট্যাম্প এ স্বাক্ষরিত।

 সি.এন.জি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে (CNG station / combustible materials business)

  • বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র ।

ক্লিনিক/প্রাইভেটহাসপাতালএর ক্ষেত্রে (Clinic / private hospitals in the case of)

  • ডিরেক্টর জেনারেল – স্বাস্থ্য , কর্তৃক অনুমতিপত্র ।

 লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে (In case of limited company)

  • কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল ।
  • সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন ।

প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে (Printing Press and residential hotel)

  • ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র ।

রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (In recruiting agencies)

  • মানবসম্পদ রপ্তানী বুর‍্যো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ।

অস্ত্র গোলাবারুদ এর ক্ষেত্রে (In the case of weapons and ammunition)

  • অস্ত্রের লাইসেন্স ।

ঔষধ মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে (Medicines and drugs case)

  • ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি ।

ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (Travel agencies in the)

  • সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কতো টাকা (ফি) লাগে (How do you trade money (fees) takes)

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর  – ১ শাখা হতে বিশেষ প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয় । ব্যবসার ধরন এর উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয়েথাকে । স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।

কারা ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন (Who can trade in)

নারী, পুরুষ উভয়ই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে তবে অবশ্যই তাকে কোন না কোন ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে । বয়স ১৮ বছর এর উপরে হতে হবে ।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যবসায় ব্যবহার করা যায় (A license key can be used for multiple business)

না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একটি ব্যবসার জন্যই প্রযোজ্য অর্থাৎ যে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয় শুধু মাত্র সেই ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্য কোন ধরনের ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে না ।নতুন কোন ব্যবসা শুরু করলে তার জন্য নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে ।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবেন (A license allows you to use more than one person)

না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একজন ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার নামে ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয়েছে এটি শুধু মাত্র তার জন্যই প্রযোজ্য । এটা কোনভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয় ।

ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে এবং কোথা থেকে নবায়ন করতে হয় (How and Where to renew license)

যে অফিস থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়, সেখান থেকেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হয় । ট্রেড লাইসেন্স সাধারনত ১ বছর এর জন্য ইস্যু করা হয় । প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় । পুরানো ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।

সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের সুবিধা, সুদের হার, ক্রয়ের লিমিট এবং এ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ম

সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ এখন সবচেয়ে বেশি লাভজনক। যারা আয়কর প্রদান করেন তাদের জন্য আছে রিবেট সুবিধা। সঞ্চয়পত্রে যে মুনাফার উপর যে পরিমাণ উৎসে আয়কর কেটে রাখা হয় সেটাই চূড়ান্ত করদায় অর্থাৎ মুনাফার উপর আর অতিরিক্ত আয়কর দিতে হবে না। বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক গুলো ফলো করুন-

১। পেনশনার সঞ্চয়পত্র

২। পরিবার সঞ্চয়পত্র

৩। ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র

৪। ৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

 

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

 

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

প্রবর্তণঃ ১৯৮১

মেয়াদঃ ৫ (পাঁচ) বছর

 

বন্ডের মূল্যমানঃ

টাকা ২৫,০০০/-; টাকা ৫০,০০০/-; টাকা ১,০০,০০০/-; টাকা ২,০০,০০০/-; টাকা ৫,০০,০০০/-; টাকা ১০,০০,০০০/; এবং ৫০,০০,০০০/-।

 

মুনাফাঃ

  • মেয়াদান্তে মুনাফা ১২%। বন্ড ধারক ১২% হারে প্রত্যেক বছরে ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা উত্তোলিত না হলে, মেয়াদপূর্তিতে মুল অংকের সাথে ষান্মাসিকভিত্তিতে ১২% চক্রবৃদ্ধি হারে উক্ত মুনাফা প্রদেয় হবে।

 

মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধাঃ

  • একজন ওয়েজ আর্নার প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম টাকা ২৫,০০০/- বা ততোধিক মূল্যের বন্ড ক্রয় করলে নির্ধারিত হারে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা পাবে। তবে উক্ত ক্রয় সংশ্লিষ্ট ওয়েজ আর্নারের মৃত্যুর পূর্বেই সংঘটিত হতে হবে।
  • ওয়েজ আর্নারের মৃত্যুর পূর্বেই যদি বন্ডের মেয়াদপূর্ণ হয়, তা হলে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা প্রাপ্য হবে না;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর ৬-মাসের মধ্যে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা দাবী করতে হবে। এর পর মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধার বিপরীতে কোন দাবী গ্রহণযোগ্য হবে না;
  • মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধার পরিমাণ টাকা ৫,০০,০০০/- এর অধিক হবে না;
  • ওয়েজ আর্নারের বয়স ৫৫-বছরের অধিক হলে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা প্রাপ্য হবে না।

 

সি.আই.পি সুবিধাঃ

  • এ বন্ডে টাকা ৮০ (আশি) মিলিয়ন বা ততোধিক বিনিয়োগকারী সি.আই.পি সুবিধা প্রাপ্য হবেন; তবে নগদায়নের কারণে বিনিয়োগ টাকা ৮০ (আশি) মিলিয়ন-এর নীচে নেমে যায় এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩-মাসের মধ্যে তিনি উক্ত সীমা অর্জন করতে ব্যর্থ হন, তা হলে তিনি সি.আই.পি সুবিধা হতে বঞ্চিত হবেন।

 

কারা ক্রয় করতে পারেঃ

  • বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী ‘ওয়েজ আর্নার [১]’' নিজ নামে অথবা; আবেদনপত্রে উল্লিখিত তার মনোনীত ব্যক্তির নামে অথবা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার বেনিফিসিয়ারী [২]-এর নামে এ বন্ড ক্রয় করা যায়;
  • বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশী সরকারী, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্বশাসিত ও আধা স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ;
  • বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, যারা বৈদেশিক মুদ্রায় বেতন-ভাতাদি পেয়ে থাকেন, তারা এ বন্ড ক্রয় করতে পারবেন।

 

 

কোথায় পাওয়া যাবেঃ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তফসিলী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ ঐ সকল শাখা, যারা ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনা করে থাকেন;
  • বিদেশস্থ বাংলাদেশী ব্যাংকসমূহ ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকসমূহ;

 

ক্রয় পদ্ধতিঃ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তফসিলী ব্যাংকের অথরাইজড ডিলার (এ.ডি) শাখাসমূহে এবং বাংলাদেশী কোন ব্যাংকের বিদেশস্থ শাখা অথবা তাদের আওতাধীন বিদেশে কার্যরত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীসমূহে বন্ড ক্রয়ের আবেদনপত্র ডি.বি-১ ফরম পুরণ ও স্বাক্ষর করে বন্ড ক্রয়ের আবেদন করা যায়।
  • ওয়েজ আর্নারের আবেদনের সূত্রে অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে, ব্যাংক ওয়েজ আর্নার কর্তৃক পরিচালিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমাকৃত অর্থ বিকলন করে বন্ড ইস্যু করতে পারে;
  • কোন বেনিফিসিয়ারী ওয়েজ আর্নারের নিকট হতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের বিপরীতে দালিলিক প্রমানাদি উপস্থাপন সাপেক্ষে বন্ড ক্রয় করতে পারেন;

 

মূল্য পরিশোধ পদ্ধতিঃ

  • নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় অথবা রেমিট্যান্স হিসেবে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা হতে রুপান্তরিত বাংলাদেশী টাকায়;
  • ওয়েজ আর্নার কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত এবং তাঁর এফ.সি একাউন্টে জমাকৃত অর্থ দ্বারা অথবা;
  • বৈদেশিক মুদ্রায় চেক, ড্রাফট বা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকা ড্রাফট-এর মাধ্যমে; 

 

বন্ড নগদায়ন পদ্ধতিঃ

  • এ বন্ডের ইস্যু অফিস [৩]-ই হবে এর প্রদানকারী অফিস।
  • বিদেশেস্থ ইস্যু অফিস থেকে বন্ড ক্রয় করা হলে সেখান থেকে নগদায়ন করা যায় না।
  • বিদেশ থেকে বন্ড ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতাকে আবেদনপত্রে বাংলাদেশে প্রদানকারী অফিসের নাম উল্লেখ করতে হয়।

 

নমিনী সংক্রান্তঃ

  • বন্ড ধারকের মৃত্যু হলে নমিনী বন্ডের মূল্য, সুদ এবং মৃত্যুঝুঁকি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে;
  • বেনিফিসিয়ারী কর্তৃক ক্রয়কৃত বন্ডে একই পদ্ধতিতে নমিনী নিয়োগ করা যাবে;
  • প্রতি সনদের জন্য একজনের অধিক নমিনী প্রদান করা যাবে না;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর পূর্বে নমিনীর মৃত্যু হলে, নমিনীর কার্যকারিতা থাকবে না;
  • নমিনী বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর পূর্বেই যদি নমিনীর মৃত্যু ঘটে, তবে মৃত বন্ড ধারকের উত্তোরাধিকারীগণ বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে মূল্য ও মুনাফা প্রাপ্য হবেন;
  • উত্তোরাধিকারীগণ শুধুমাত্র মেয়াদপূর্তিতে মূল্য ও মুনাফা গ্রহণ করতে পারবেন;

 

 

অন্যান্য বৈশিষ্টসমূহঃ

  • এ বন্ডের আসল অংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য;
  • ৪০% থেকে ৫০% পর্যন্ত  মৃত্যু-ঝুঁকির সুবিধা রয়েছে;
  • ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • বন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ঋণ গ্রহণের সুবিধা রয়েছে;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট বন্ড ইস্যুর সুযোগ রয়েছে।
  • আট কোটি টাকা বা তদুর্ধ্ব বাংলাদেশি মুদ্রা বিনিয়োগকারীর জন্য সি. আই.পি (C.I.P) সুবিধা রয়েছে;
  • এফসি একাউন্ট থাকার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
  • এ বন্ডে বিনিয়োগের কোন ঊধ্বসীমা নেই।
  • এ বন্ডে বিনিয়োগকৃত মূল অংক বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে প্রত্যাবাসিত করা যাবে;
  • বন্ডের বিপরীতে প্রাপ্র মূল অংক, মুনাফা এবং মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা ইত্যাদি বাংলাদেশে এবং কেবলমাত্র বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রদেয়;
  • ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড-এ বিনিয়োগকৃত এবং অর্জিত মুনাফা আয়করমুক্ত;
  •  বন্ডের একটি এককের ক্ষেত্রে একজনের বেশী ধারক ও নমিনীর মনোনয়ন দেয়া যাবে না;
  • অসুস্থতাজনিত কারনে বন্ড ধারক স্বাক্ষর করতে অপারগ হলে এবং একজন গেজেটেড  অফিসার কর্তৃক তার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির  ছাপ প্রত্যয়ন করা হলে প্রদানকারী অফিসার কর্তৃক সরেজমিন যাচাইয়ান্তে , বন্ড উপস্থাপনকারীর পরিচয় ও উপস্থাপিত বন্ডের সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বন্ড ধারকের হাতে ছাপ গ্রহন করে মেয়াদপূর্তি মূল্য অথবা সুদ পরিশোধ করবে।
  • বন্ডের ক্রেতা শরিরীকভাবে পঙ্গু, স্বাক্ষর প্রদানে সম্পূর্ণ অক্ষম হলে এবং এর পক্ষে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করা হলে প্রদানকারী অফিসার কর্তৃক যাচাইয়ান্তে,  বন্ড উপস্থাপনকারীর পরিচয় ও উপস্থাপিত বন্ডের সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে উক্ত বন্ডের মেয়াদপূর্তি মূল্য অথবা সুদ নমিনী অথবা উত্তরাধিকারীকে পরিশোধ করবে।

 

 

[১] ওয়েজ আর্নার বলতে একজন বাংলাদেশী নাগরিক, যিনি লাভজনকভাবে বিদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নিয়োজিত কিন্তু কোন সরকার বা সরকারী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্বশাসিত বা আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা হতে বেতন-ভাতাদি প্রাপ্ত হয় না। তাছাড়া যিনি আদতে বাংলাদেশী নাগরিক কিন্তু যে কোন কারণেই হোক, বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।

[২] বেনিফিসিয়ারী বলতে একজন বাংলাদেশীকে বুঝাবে, যিনি বিদেশে কর্মরত ওয়েজ আর্নারের নিকট হতে প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রাপ্ত হন এবং যিনি ওয়েজ আর্নার বিনিময় হার প্রাপ্তির অধিকার লাভ করেন।

[৩] ইস্যু অফিস বলতে-বাংলাদেশের তফসিলী বাংকের প্রধান কার্যালয়সহ ঐ সকল শাখা, যারা ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনা করে থাকে;বিদেশস্থ বাংলাদেশী ব্যাংকসমূহ ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশী কোন ব্যাংকের আওতাধীন বিদেশে কার্যরত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীসমূহ।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

পেনশনার সঞ্চয়পত্র

প্রবর্তনঃ ২০০৪ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ ৫(পাঁচ) বছর।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেঃ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত, আধা- স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারী, সুপ্রীম কোর্টেরঅবসরপ্রাপ্ত মাননীয় বিচারপতিগণ, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকুরীজীবীর পারিবারিক পেনমন সুবিধাভোগী স্বামী/স্ত্রী/সন্তান।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ প্রাপ্ত আনুতোষিক ও ভবিষ্য তহবিলের অর্থ মিলিয়ে একক নামে ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা।

 

মুনাফার হারঃ ১১.৭৬% (মেয়াদান্তে)। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক মুনাফার হার নিম্নোক্ত ছক মোতাবেক প্রদেয় হইবেঃ

 

ছক-১: পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার

 

নগদায়নকাল

মুনাফার হার

১ম বছরান্তে

৯.৭০%

২য় বছরান্তে

১০.১৫%

৩য় বছরান্তে

১০.৬৫%

৪র্থ  বছরান্তে

১১.২০%

৫ম বছরান্তে

১১.৭৬%

 
  • পূর্ণমেয়াদের জন্য ১ (এক) লক্ষ টাকায় প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.৭৬% হারে টাকা ২,৯৪০.০০ (দুই হাজার নয়শত চল্লিশ) মাত্র প্রদেয় হইবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে আয়কর কর্তন/লেভী কর্তন হইবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হইবে, সেক্ষেত্রে উপরের ছক-১ (পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার)-এ প্রদর্শিত বছরভিত্তিক হারে মুনাফা প্রদেয় হইবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হইয়া থাকিলে উহা মূল টাকা হইতে কর্তন করিয়া সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করিতে হইবে।

         

(২)     বিভিন্ন মূল্যমানের পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পরিমাণ নিম্নরুপ হইবে-

 

ছক-১ (ক): বিভিন্ন মূল্যমানের পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণঃ

 

বিনিয়োগের পরিমাণ  (টাকায়)

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

(ক)     ৫০,০০০.০০

১,৪৭০.০০

(খ)     ১,০০,০০০.০০

২,৯৪০.০০

(গ)     ২,০০,০০০.০০

৫,৮৮০.০০

(ঘ)     ৫,০০,০০০.০০

১৪,৭০০.০০

(ঙ)     ১০,০০,০০০.০০

২৯,৪০০.০০

 
  • ত্রৈমাসিক মুনাফা উত্তোলনের পর ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে।

(৩)     মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিলে গৃহীত ত্রৈমাসিক মুনাফা কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেওয়া হইবে। ১ (এক) লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করিয়া মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে নিম্নোক্ত ছক-১ (খ) মোতাবেক অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে-

ছক-১ (খ): মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে ১ (এক) লক্ষ টাকায় ফেরতযোগ্য টাকার পরিমাণ

 

সময়সীমা

৩-মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করিয়া বিনিয়োগকৃত

অর্থ ফেরত গ্রহণ করিলে প্রাপ্য টাকা

১ম বৎসর চলাকালীন

১,০০,০০০ - গৃহীত মুনাফা

২য় বৎসর চলাকালীন

১,০৯,৭০০- গৃহীত মুনাফা

৩য় বৎসর চলাকালীন

১,২০,৩০০- গৃহীত মুনাফা

৪র্থ বৎসর চলাকালীন

১,৩১,৯৫০ - গৃহীত মুনাফা

৫ম বৎসর চলাকালীন

১, ৪৪,৮০০ - গৃহীত মুনাফা

 

 

অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়াবলীঃ

  • ত্রৈমাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;
  • ক্রয়ের সময় ক্রেতার ২ (দুই) কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি, নমিনী থাকলে প্রত্যেকের ২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে;
  • ভবিষ্য তহবিলের মঞ্জুরীপত্র এবং প্রাপ্ত আনুতোষিকের মঞ্জুরীপত্র অথবা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পি.এস.সি ফরম-২ পুরণ করে ইস্যু অফিসে দাখিল করতে হবে।
  • এ সঞ্চয়পত্র শুধুমাত্র ১ (এক)টি অফিস হতে ক্রয় করা যায়। একাধিক অফিস হতে এ সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে অথবা ক্রয়সীমা অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে কোন মুনাফা প্রাপ্য হবেন না।
  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র ব্যাংক ঋণের জন্য জামানত/আমানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
  • ব্যবসা-বানিজ্যে পেনশনার সঞ্চয়পত্র জামানত হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

পরিবার সঞ্চয়পত্র

পুনঃপ্রবর্তনঃ ২০০৯ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ১০,০০০ টাকা; ২০,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

মেয়াদঃ ৫ (পাঁচ) বছর।

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ ১৮ (আঠার) ও তদুর্ধ্ব বয়সের যে কোন বাংলাদেশী মহিলা, যে কোন বাংলাদেশী শারীরিক প্রতিবন্ধী (পুরুষ ওমহিলা) এবং ৬৫ (পঁয়ষট্টি) ও তদুর্ধ্ব বয়সের বাংলাদেশী (পুরুষ ও মহিলা) নাগরিক।

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫(পঁতাল্লিশ) লক্ষ টাকা।

মুনাফার হারঃ ১১.৫২% মেয়াদান্তে। পরিবার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার নিম্নোক্ত ছক-১ অনুযায়ী প্রদেয় হইবেঃ

ছক-১: পরিবার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার

নগদায়ন কাল

মুনাফার হার

১ম বছরান্তে

৯.৫০%

২য় বছরান্তে

১০.০০%

৩য় বছরান্তে

১০.৫০%

৪র্থ বছরান্তে

১১.০০%

৫ম বছরান্তে

১১.৫২%

 

 

  • পূর্ণমেয়াদের জন্য ১ (এক) লক্ষ টাকায় প্রতি মাসে মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.৫২% হারে টাকা ৯৬০.০০ (নয়শত ষাট) মাত্র প্রদেয় হইবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে আয়কর কর্তন/লেভী কর্তন হইবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হইবে, সেক্ষেত্রে উপরের ছক-১ (পরিবার সঞ্চয়পত্রে বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার)-এ প্রদর্শিত বছরভিত্তিক হারে মুনাফা প্রদেয় হইবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হইয়া থাকিলে উহা মূল টাকা হইতে কর্তন করিয়া সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করিতে হইবে।

         

          (২)     বিভিন্ন মূল্যমানের পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পরিমাণ নিম্নরুপ হইবে-

ছক-১ (ক): বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্রে মাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণঃ

 

বিনিয়োগের পরিমাণ  (টাকায়)

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

(ক)     ১০,০০০.০০

৯৬.০০

(খ)     ২০,০০০.০০

১৯২.০০

(গ)     ৫০,০০০.০০

৪৮০.০০

(ঘ)     ১,০০,০০০.০০

৯৬০.০০

(ঙ)     ২,০০,০০০.০০

১,৯২০.০০

(চ)     ৫,০০,০০০.০০

৪,৮০০.০০

(ছ)     ১০,০০,০০০.০০

৯,৬০০.০০

 
  • মাসিক মুনাফা উত্তোলনের পর ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে।

 

(৩)     মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিলে গৃহীত মাসিক মুনাফা কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেওয়া হইবে। ১ (এক) লক্ষ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করিয়া মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে নিম্নোক্ত ছক-১ (খ) মোতাবেক অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে-

 

ছক-১ (খ): মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে ১ (এক) লক্ষ টাকায় ফেরতযোগ্য টাকার পরিমাণঃ

সময়সীমা

মাসিক মুনাফা উঠাইয়া বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত গ্রহণ করিলে প্রাপ্য টাকার পরিমাণ

১ম বৎসর চলাকালীন

১,০০,০০০ - গৃহীত মুনাফা

২য় বৎসর চলাকালীন

১,০৯,৫০০- গৃহীত মুনাফা

৩য় বৎসর চলাকালীন

১,২০,০০০- গৃহীত মুনাফা

৪র্থ বৎসর চলাকালীন

১,৩১,৫০০ - গৃহীত মুনাফা

৫ম বৎসর চলাকালীন

১, ৪৪,০০০ - গৃহীত মুনাফা

 

অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়াবলীঃ

  • মাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;
  • ক্রয়ের সময় ক্রেতার ২ (দুই) কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি, নমিনী থাকলে প্রত্যেকের ২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে;
  • সঞ্চয়পত্র ব্যাংক ঋণের জন্য জামানত/আমানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
  • ব্যবসা-বানিজ্যে সঞ্চয়পত্র জামানত হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না;

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র

প্রবর্তনঃ ১৯৯৮ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ নিম্নে বর্ণিত যে কেউ এই সার্টিফিকেট ক্রয় করতে পারবেন, যথা-

(১)      একজন প্রাপ্তবয়স্ক;

(২)     একজন নাবালক;

(৩)     দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক তাহাদের যৌথ নামে-

          (ক)     গ্রাহকদের যৌথভাবে প্রদেয় অথবা যে কোনো একজনের লিখিত সম্মতিতে অন্যজনকে প্রদেয়;

          (খ)     যে কোনো একজনকে প্রদেয়।

 

(৪)     একজন প্রাপ্তবয়স্ক-

          (ক)     একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের পক্ষে, অথবা

          (খ)     যুগ্ম-নামে দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্কের পক্ষে,

          (গ)     তিনি স্বয়ং একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে যুগ্ম-নামে,

          (ঘ)     যথাযথ আদালত কর্তৃক কোনো  উন্মাদ ব্যক্তির অভিভাবক বা ম্যানেজার  নিযুক্ত  হইয়া

সঞ্চয়পত্র ক্রয় পদ্ধতিঃ

•   নির্ধারিত ফরম (এস.সি-১) যথাযথভাবে পুরণপূর্বক ত্রেতা ও নমিনী (যদি থাকে) প্রত্যেকের ০২ (দুই) কপি ছবি, ক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা পাসপোর্ট অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের    

     ফটোকপিসহ আবেদন করতে হবে।

•    চেক অথবা নগদে সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে চেকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে চেক নগদায়নের তারিখে সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা হবে;

 

[টীকা।- সঞ্চয়পত্র ক্রয় ফরমে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর অন্তর্ভূক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে উহা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। ক্রেতা জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করিতে অপারগ হইলে সেই ক্ষেত্রে পাসপোর্ট  অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর অন্তর্ভূক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে উহা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক হইবে ।]

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে ৬০ লক্ষ টাকা।

 

মেয়াদঃ ৩ (তিন) বছর।

 

মুনাফার হারঃ মেয়াদান্তে মুনাফা ১১.০৪%। মেয়াদপূর্তির পূর্বেও নগদায়ন করা যায়। তবে মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে টেবিল-১ অনুযায়ী মুনাফা পাওয়া যাবে:

 

টেবিল-১: মুনাফার হার

সময়

মুনাফার হার

প্রতি ১ (এক) লক্ষ টাকায় মূলসহ মুনাফার পরিমাণ

১ম বছরান্তে

১০.০০%

১,১০,০০০.০০

২য় বছরান্তে

১০.৫০%

১,২১,০০০.০০

৩য় বছরান্তে

১১.০৪%

১,৩৩,১২০.০০

 

টীকাঃ ১ (এক) লক্ষ টাকায় তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.০৪% হারে টাকা ২,৭৬০.০০ (দুই হাজার সাতশত ষাট) টাকা মাত্র প্রদেয় হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লেভি/মুনাফা কর্তন হবে। কিন্তু যেসকল ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হবে, সেক্ষেত্রে টেবিল-১ প্রদর্শিত হারে মুনাফা প্রদেয় হবে, এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা হতে কর্তন করে সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

টেবিল-২: অভিহিত মূল্য অনুযায়ী ৩-মাস অন্তর মুনাফার পরিমাণ

 

বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ

প্রতি ১ (এক) লক্ষ টাকায় ৩-মাস অন্তর

মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

১,০০,০০০/=

২,৭৬০.০০

২,০০,০০০/=

৫,৫২০.০০

৫,০০,০০০/=

১৩,৮০০.০০

১০,০০,০০০/=

২৭,৬০০.০০

 

 

অন্যান্য সুবিধাঃ

  • এ সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশের যে কেউ ক্রয় করিতে পারিবেন;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • ক্রেতা মৃত্যুবরন করিলে নমিনী যেকোন সময় সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিতে পারিবেন। নমিনীর ইচ্ছানুযায়ী মেয়াদপূর্তির পূর্বে বা পরে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিতে পারিবে;
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, পুড়িয়া গেলে বা নষ্ট হইলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক অফিস হইতে অন্য অফিসে স্থানান্তর করা যায় (সঞ্চয় ব্যুরো হইতে সঞ্চয় ব্যুরো, ব্যাংক হইতে ব্যাংক এবং ডাকঘর হইতে ডাকঘর);
  • সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের ফটোকপি এবং ক্রেতা ও নমিনী (যদি থাকে) প্রত্যেকের ০২ (দুই) কপি করিয়া পাসপোর্ট সাইজের ছবি দাখিল করিতে হইবে।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

মূল্যমানঃ

১০ টাকা; ৫০ টাকা; ১০০ টাকা; ৫০০ টাকা; ১,০০০ টাকা; ৫,০০০ টাকা; ১০,০০০ টাকা; ২৫,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৫ (পাঁচ) বছর।

 

মুনাফার হারঃ

মেয়াদান্তে মুনাফা ১১.২৮%। তবে মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করলে ১ম বছরান্তে ৯.৩৫%, ২য় বছরান্তে ৯.৮০%, ৩য় বছরান্তে ১০.২৫% এবং ৪র্থ বছরান্তে ১০.৭৫% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

(ক) সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক;

(খ) আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২) এর বিধি ৪৯-এর উপ-বিধি(২) এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত বভিষ্য তহবিল এবং বভিষ্য তহবিল আইন, ১৯২৫(১৯২৫ এর ১৯ নং) অনুযায়ী ভবিষ্য তহবিল;

(গ) আযকর আধ্যাদেশ-১৯৮৪ এর ৬ষ্ঠ তফষিল এর পার্ট এ এর অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুযায়ী মৎস খামার, হাঁস-মুরগীর খামার, পেলিটেট পোলট্রি ফিডস উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, স্তানীয় উৎপাদিত বীজ বিপণন, গবাদি পশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্দজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার, ছত্রা উৎপাদন এবং ফল ও লতা পাতার চাষ হতে অর্জিত আয়-যা সংশ্লিষ্ট উপ-কমিশনার কর্তৃক প্রত্যায়নকৃত।

(ঘ) নাবালকের পক্ষেও ক্রয় করা যায়।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

(ক) ব্যক্তির ক্ষেত্রেঃ একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে৬০ লক্ষ।

(খ) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ ঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

অন্যান্য সুবিধাঃ

  • একমেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়; ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী যেকোন সময় সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন। নমিনী ইচ্ছা করলে মেয়াদপূর্তি করেও সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবে;
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক অফিস হতে অন্য অফিসে স্থানান্তর করা যায় (সঞ্চয়পত্র ব্যুরো হতে সঞ্চয় ব্যুরো, ব্যাংক হতে ব্যাংক এবং ডাকঘর হতে ডাকঘর);
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর