Business Blog

Displaying 1-10 of 56 results.

সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের সুবিধা, সুদের হার, ক্রয়ের লিমিট এবং এ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ম

সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ এখন সবচেয়ে বেশি লাভজনক। যারা আয়কর প্রদান করেন তাদের জন্য আছে রিবেট সুবিধা। সঞ্চয়পত্রে যে মুনাফার উপর যে পরিমাণ উৎসে আয়কর কেটে রাখা হয় সেটাই চূড়ান্ত করদায় অর্থাৎ মুনাফার উপর আর অতিরিক্ত আয়কর দিতে হবে না। বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক গুলো ফলো করুন-

১। পেনশনার সঞ্চয়পত্র

২। পরিবার সঞ্চয়পত্র

৩। ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র

৪। ৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

 

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

 

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

প্রবর্তণঃ ১৯৮১

মেয়াদঃ ৫ (পাঁচ) বছর

 

বন্ডের মূল্যমানঃ

টাকা ২৫,০০০/-; টাকা ৫০,০০০/-; টাকা ১,০০,০০০/-; টাকা ২,০০,০০০/-; টাকা ৫,০০,০০০/-; টাকা ১০,০০,০০০/; এবং ৫০,০০,০০০/-।

 

মুনাফাঃ

  • মেয়াদান্তে মুনাফা ১২%। বন্ড ধারক ১২% হারে প্রত্যেক বছরে ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা উত্তোলিত না হলে, মেয়াদপূর্তিতে মুল অংকের সাথে ষান্মাসিকভিত্তিতে ১২% চক্রবৃদ্ধি হারে উক্ত মুনাফা প্রদেয় হবে।

 

মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধাঃ

  • একজন ওয়েজ আর্নার প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম টাকা ২৫,০০০/- বা ততোধিক মূল্যের বন্ড ক্রয় করলে নির্ধারিত হারে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা পাবে। তবে উক্ত ক্রয় সংশ্লিষ্ট ওয়েজ আর্নারের মৃত্যুর পূর্বেই সংঘটিত হতে হবে।
  • ওয়েজ আর্নারের মৃত্যুর পূর্বেই যদি বন্ডের মেয়াদপূর্ণ হয়, তা হলে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা প্রাপ্য হবে না;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর ৬-মাসের মধ্যে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা দাবী করতে হবে। এর পর মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধার বিপরীতে কোন দাবী গ্রহণযোগ্য হবে না;
  • মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধার পরিমাণ টাকা ৫,০০,০০০/- এর অধিক হবে না;
  • ওয়েজ আর্নারের বয়স ৫৫-বছরের অধিক হলে মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা প্রাপ্য হবে না।

 

সি.আই.পি সুবিধাঃ

  • এ বন্ডে টাকা ৮০ (আশি) মিলিয়ন বা ততোধিক বিনিয়োগকারী সি.আই.পি সুবিধা প্রাপ্য হবেন; তবে নগদায়নের কারণে বিনিয়োগ টাকা ৮০ (আশি) মিলিয়ন-এর নীচে নেমে যায় এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩-মাসের মধ্যে তিনি উক্ত সীমা অর্জন করতে ব্যর্থ হন, তা হলে তিনি সি.আই.পি সুবিধা হতে বঞ্চিত হবেন।

 

কারা ক্রয় করতে পারেঃ

  • বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী ‘ওয়েজ আর্নার [১]’' নিজ নামে অথবা; আবেদনপত্রে উল্লিখিত তার মনোনীত ব্যক্তির নামে অথবা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার বেনিফিসিয়ারী [২]-এর নামে এ বন্ড ক্রয় করা যায়;
  • বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশী সরকারী, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্বশাসিত ও আধা স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ;
  • বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, যারা বৈদেশিক মুদ্রায় বেতন-ভাতাদি পেয়ে থাকেন, তারা এ বন্ড ক্রয় করতে পারবেন।

 

 

কোথায় পাওয়া যাবেঃ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তফসিলী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ ঐ সকল শাখা, যারা ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনা করে থাকেন;
  • বিদেশস্থ বাংলাদেশী ব্যাংকসমূহ ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকসমূহ;

 

ক্রয় পদ্ধতিঃ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তফসিলী ব্যাংকের অথরাইজড ডিলার (এ.ডি) শাখাসমূহে এবং বাংলাদেশী কোন ব্যাংকের বিদেশস্থ শাখা অথবা তাদের আওতাধীন বিদেশে কার্যরত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীসমূহে বন্ড ক্রয়ের আবেদনপত্র ডি.বি-১ ফরম পুরণ ও স্বাক্ষর করে বন্ড ক্রয়ের আবেদন করা যায়।
  • ওয়েজ আর্নারের আবেদনের সূত্রে অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে, ব্যাংক ওয়েজ আর্নার কর্তৃক পরিচালিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমাকৃত অর্থ বিকলন করে বন্ড ইস্যু করতে পারে;
  • কোন বেনিফিসিয়ারী ওয়েজ আর্নারের নিকট হতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের বিপরীতে দালিলিক প্রমানাদি উপস্থাপন সাপেক্ষে বন্ড ক্রয় করতে পারেন;

 

মূল্য পরিশোধ পদ্ধতিঃ

  • নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় অথবা রেমিট্যান্স হিসেবে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা হতে রুপান্তরিত বাংলাদেশী টাকায়;
  • ওয়েজ আর্নার কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত এবং তাঁর এফ.সি একাউন্টে জমাকৃত অর্থ দ্বারা অথবা;
  • বৈদেশিক মুদ্রায় চেক, ড্রাফট বা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকা ড্রাফট-এর মাধ্যমে; 

 

বন্ড নগদায়ন পদ্ধতিঃ

  • এ বন্ডের ইস্যু অফিস [৩]-ই হবে এর প্রদানকারী অফিস।
  • বিদেশেস্থ ইস্যু অফিস থেকে বন্ড ক্রয় করা হলে সেখান থেকে নগদায়ন করা যায় না।
  • বিদেশ থেকে বন্ড ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতাকে আবেদনপত্রে বাংলাদেশে প্রদানকারী অফিসের নাম উল্লেখ করতে হয়।

 

নমিনী সংক্রান্তঃ

  • বন্ড ধারকের মৃত্যু হলে নমিনী বন্ডের মূল্য, সুদ এবং মৃত্যুঝুঁকি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে;
  • বেনিফিসিয়ারী কর্তৃক ক্রয়কৃত বন্ডে একই পদ্ধতিতে নমিনী নিয়োগ করা যাবে;
  • প্রতি সনদের জন্য একজনের অধিক নমিনী প্রদান করা যাবে না;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর পূর্বে নমিনীর মৃত্যু হলে, নমিনীর কার্যকারিতা থাকবে না;
  • নমিনী বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে;
  • বন্ড ধারকের মৃত্যুর পূর্বেই যদি নমিনীর মৃত্যু ঘটে, তবে মৃত বন্ড ধারকের উত্তোরাধিকারীগণ বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে মূল্য ও মুনাফা প্রাপ্য হবেন;
  • উত্তোরাধিকারীগণ শুধুমাত্র মেয়াদপূর্তিতে মূল্য ও মুনাফা গ্রহণ করতে পারবেন;

 

 

অন্যান্য বৈশিষ্টসমূহঃ

  • এ বন্ডের আসল অংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য;
  • ৪০% থেকে ৫০% পর্যন্ত  মৃত্যু-ঝুঁকির সুবিধা রয়েছে;
  • ষান্মাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • বন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ঋণ গ্রহণের সুবিধা রয়েছে;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেট বন্ড ইস্যুর সুযোগ রয়েছে।
  • আট কোটি টাকা বা তদুর্ধ্ব বাংলাদেশি মুদ্রা বিনিয়োগকারীর জন্য সি. আই.পি (C.I.P) সুবিধা রয়েছে;
  • এফসি একাউন্ট থাকার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
  • এ বন্ডে বিনিয়োগের কোন ঊধ্বসীমা নেই।
  • এ বন্ডে বিনিয়োগকৃত মূল অংক বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে প্রত্যাবাসিত করা যাবে;
  • বন্ডের বিপরীতে প্রাপ্র মূল অংক, মুনাফা এবং মৃত্যু ঝুঁকি সুবিধা ইত্যাদি বাংলাদেশে এবং কেবলমাত্র বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রদেয়;
  • ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড-এ বিনিয়োগকৃত এবং অর্জিত মুনাফা আয়করমুক্ত;
  •  বন্ডের একটি এককের ক্ষেত্রে একজনের বেশী ধারক ও নমিনীর মনোনয়ন দেয়া যাবে না;
  • অসুস্থতাজনিত কারনে বন্ড ধারক স্বাক্ষর করতে অপারগ হলে এবং একজন গেজেটেড  অফিসার কর্তৃক তার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির  ছাপ প্রত্যয়ন করা হলে প্রদানকারী অফিসার কর্তৃক সরেজমিন যাচাইয়ান্তে , বন্ড উপস্থাপনকারীর পরিচয় ও উপস্থাপিত বন্ডের সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বন্ড ধারকের হাতে ছাপ গ্রহন করে মেয়াদপূর্তি মূল্য অথবা সুদ পরিশোধ করবে।
  • বন্ডের ক্রেতা শরিরীকভাবে পঙ্গু, স্বাক্ষর প্রদানে সম্পূর্ণ অক্ষম হলে এবং এর পক্ষে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করা হলে প্রদানকারী অফিসার কর্তৃক যাচাইয়ান্তে,  বন্ড উপস্থাপনকারীর পরিচয় ও উপস্থাপিত বন্ডের সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে উক্ত বন্ডের মেয়াদপূর্তি মূল্য অথবা সুদ নমিনী অথবা উত্তরাধিকারীকে পরিশোধ করবে।

 

 

[১] ওয়েজ আর্নার বলতে একজন বাংলাদেশী নাগরিক, যিনি লাভজনকভাবে বিদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নিয়োজিত কিন্তু কোন সরকার বা সরকারী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্বশাসিত বা আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা হতে বেতন-ভাতাদি প্রাপ্ত হয় না। তাছাড়া যিনি আদতে বাংলাদেশী নাগরিক কিন্তু যে কোন কারণেই হোক, বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।

[২] বেনিফিসিয়ারী বলতে একজন বাংলাদেশীকে বুঝাবে, যিনি বিদেশে কর্মরত ওয়েজ আর্নারের নিকট হতে প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রাপ্ত হন এবং যিনি ওয়েজ আর্নার বিনিময় হার প্রাপ্তির অধিকার লাভ করেন।

[৩] ইস্যু অফিস বলতে-বাংলাদেশের তফসিলী বাংকের প্রধান কার্যালয়সহ ঐ সকল শাখা, যারা ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনা করে থাকে;বিদেশস্থ বাংলাদেশী ব্যাংকসমূহ ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশী কোন ব্যাংকের আওতাধীন বিদেশে কার্যরত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীসমূহ।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

পেনশনার সঞ্চয়পত্র

প্রবর্তনঃ ২০০৪ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ ৫(পাঁচ) বছর।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেঃ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত, আধা- স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারী, সুপ্রীম কোর্টেরঅবসরপ্রাপ্ত মাননীয় বিচারপতিগণ, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকুরীজীবীর পারিবারিক পেনমন সুবিধাভোগী স্বামী/স্ত্রী/সন্তান।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ প্রাপ্ত আনুতোষিক ও ভবিষ্য তহবিলের অর্থ মিলিয়ে একক নামে ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা।

 

মুনাফার হারঃ ১১.৭৬% (মেয়াদান্তে)। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক মুনাফার হার নিম্নোক্ত ছক মোতাবেক প্রদেয় হইবেঃ

 

ছক-১: পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার

 

নগদায়নকাল

মুনাফার হার

১ম বছরান্তে

৯.৭০%

২য় বছরান্তে

১০.১৫%

৩য় বছরান্তে

১০.৬৫%

৪র্থ  বছরান্তে

১১.২০%

৫ম বছরান্তে

১১.৭৬%

 
  • পূর্ণমেয়াদের জন্য ১ (এক) লক্ষ টাকায় প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.৭৬% হারে টাকা ২,৯৪০.০০ (দুই হাজার নয়শত চল্লিশ) মাত্র প্রদেয় হইবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে আয়কর কর্তন/লেভী কর্তন হইবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হইবে, সেক্ষেত্রে উপরের ছক-১ (পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার)-এ প্রদর্শিত বছরভিত্তিক হারে মুনাফা প্রদেয় হইবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হইয়া থাকিলে উহা মূল টাকা হইতে কর্তন করিয়া সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করিতে হইবে।

         

(২)     বিভিন্ন মূল্যমানের পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পরিমাণ নিম্নরুপ হইবে-

 

ছক-১ (ক): বিভিন্ন মূল্যমানের পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণঃ

 

বিনিয়োগের পরিমাণ  (টাকায়)

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

(ক)     ৫০,০০০.০০

১,৪৭০.০০

(খ)     ১,০০,০০০.০০

২,৯৪০.০০

(গ)     ২,০০,০০০.০০

৫,৮৮০.০০

(ঘ)     ৫,০০,০০০.০০

১৪,৭০০.০০

(ঙ)     ১০,০০,০০০.০০

২৯,৪০০.০০

 
  • ত্রৈমাসিক মুনাফা উত্তোলনের পর ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে।

(৩)     মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিলে গৃহীত ত্রৈমাসিক মুনাফা কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেওয়া হইবে। ১ (এক) লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করিয়া মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে নিম্নোক্ত ছক-১ (খ) মোতাবেক অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে-

ছক-১ (খ): মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে ১ (এক) লক্ষ টাকায় ফেরতযোগ্য টাকার পরিমাণ

 

সময়সীমা

৩-মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করিয়া বিনিয়োগকৃত

অর্থ ফেরত গ্রহণ করিলে প্রাপ্য টাকা

১ম বৎসর চলাকালীন

১,০০,০০০ - গৃহীত মুনাফা

২য় বৎসর চলাকালীন

১,০৯,৭০০- গৃহীত মুনাফা

৩য় বৎসর চলাকালীন

১,২০,৩০০- গৃহীত মুনাফা

৪র্থ বৎসর চলাকালীন

১,৩১,৯৫০ - গৃহীত মুনাফা

৫ম বৎসর চলাকালীন

১, ৪৪,৮০০ - গৃহীত মুনাফা

 

 

অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়াবলীঃ

  • ত্রৈমাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;
  • ক্রয়ের সময় ক্রেতার ২ (দুই) কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি, নমিনী থাকলে প্রত্যেকের ২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে;
  • ভবিষ্য তহবিলের মঞ্জুরীপত্র এবং প্রাপ্ত আনুতোষিকের মঞ্জুরীপত্র অথবা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পি.এস.সি ফরম-২ পুরণ করে ইস্যু অফিসে দাখিল করতে হবে।
  • এ সঞ্চয়পত্র শুধুমাত্র ১ (এক)টি অফিস হতে ক্রয় করা যায়। একাধিক অফিস হতে এ সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে অথবা ক্রয়সীমা অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে কোন মুনাফা প্রাপ্য হবেন না।
  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র ব্যাংক ঋণের জন্য জামানত/আমানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
  • ব্যবসা-বানিজ্যে পেনশনার সঞ্চয়পত্র জামানত হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

পরিবার সঞ্চয়পত্র

পুনঃপ্রবর্তনঃ ২০০৯ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ১০,০০০ টাকা; ২০,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

মেয়াদঃ ৫ (পাঁচ) বছর।

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ ১৮ (আঠার) ও তদুর্ধ্ব বয়সের যে কোন বাংলাদেশী মহিলা, যে কোন বাংলাদেশী শারীরিক প্রতিবন্ধী (পুরুষ ওমহিলা) এবং ৬৫ (পঁয়ষট্টি) ও তদুর্ধ্ব বয়সের বাংলাদেশী (পুরুষ ও মহিলা) নাগরিক।

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫(পঁতাল্লিশ) লক্ষ টাকা।

মুনাফার হারঃ ১১.৫২% মেয়াদান্তে। পরিবার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার নিম্নোক্ত ছক-১ অনুযায়ী প্রদেয় হইবেঃ

ছক-১: পরিবার সঞ্চয়পত্রের বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার

নগদায়ন কাল

মুনাফার হার

১ম বছরান্তে

৯.৫০%

২য় বছরান্তে

১০.০০%

৩য় বছরান্তে

১০.৫০%

৪র্থ বছরান্তে

১১.০০%

৫ম বছরান্তে

১১.৫২%

 

 

  • পূর্ণমেয়াদের জন্য ১ (এক) লক্ষ টাকায় প্রতি মাসে মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.৫২% হারে টাকা ৯৬০.০০ (নয়শত ষাট) মাত্র প্রদেয় হইবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে আয়কর কর্তন/লেভী কর্তন হইবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হইবে, সেক্ষেত্রে উপরের ছক-১ (পরিবার সঞ্চয়পত্রে বছরভিত্তিক প্রদেয় মুনাফার হার)-এ প্রদর্শিত বছরভিত্তিক হারে মুনাফা প্রদেয় হইবে এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হইয়া থাকিলে উহা মূল টাকা হইতে কর্তন করিয়া সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করিতে হইবে।

         

          (২)     বিভিন্ন মূল্যমানের পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পরিমাণ নিম্নরুপ হইবে-

ছক-১ (ক): বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্রে মাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণঃ

 

বিনিয়োগের পরিমাণ  (টাকায়)

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

(ক)     ১০,০০০.০০

৯৬.০০

(খ)     ২০,০০০.০০

১৯২.০০

(গ)     ৫০,০০০.০০

৪৮০.০০

(ঘ)     ১,০০,০০০.০০

৯৬০.০০

(ঙ)     ২,০০,০০০.০০

১,৯২০.০০

(চ)     ৫,০০,০০০.০০

৪,৮০০.০০

(ছ)     ১০,০০,০০০.০০

৯,৬০০.০০

 
  • মাসিক মুনাফা উত্তোলনের পর ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে।

 

(৩)     মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিলে গৃহীত মাসিক মুনাফা কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেওয়া হইবে। ১ (এক) লক্ষ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করিয়া মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে নিম্নোক্ত ছক-১ (খ) মোতাবেক অর্থ ফেরত পাওয়া যাইবে-

 

ছক-১ (খ): মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে ১ (এক) লক্ষ টাকায় ফেরতযোগ্য টাকার পরিমাণঃ

সময়সীমা

মাসিক মুনাফা উঠাইয়া বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত গ্রহণ করিলে প্রাপ্য টাকার পরিমাণ

১ম বৎসর চলাকালীন

১,০০,০০০ - গৃহীত মুনাফা

২য় বৎসর চলাকালীন

১,০৯,৫০০- গৃহীত মুনাফা

৩য় বৎসর চলাকালীন

১,২০,০০০- গৃহীত মুনাফা

৪র্থ বৎসর চলাকালীন

১,৩১,৫০০ - গৃহীত মুনাফা

৫ম বৎসর চলাকালীন

১, ৪৪,০০০ - গৃহীত মুনাফা

 

অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়াবলীঃ

  • মাসিকভিত্তিতে মুনাফা প্রদেয়;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়;
  • ক্রয়ের সময় ক্রেতার ২ (দুই) কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি, নমিনী থাকলে প্রত্যেকের ২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে;
  • সঞ্চয়পত্র ব্যাংক ঋণের জন্য জামানত/আমানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
  • ব্যবসা-বানিজ্যে সঞ্চয়পত্র জামানত হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না;

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র

প্রবর্তনঃ ১৯৯৮ খ্রিঃ

 

মূল্যমানঃ ১,০০,০০০ টাকা; ২,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ নিম্নে বর্ণিত যে কেউ এই সার্টিফিকেট ক্রয় করতে পারবেন, যথা-

(১)      একজন প্রাপ্তবয়স্ক;

(২)     একজন নাবালক;

(৩)     দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক তাহাদের যৌথ নামে-

          (ক)     গ্রাহকদের যৌথভাবে প্রদেয় অথবা যে কোনো একজনের লিখিত সম্মতিতে অন্যজনকে প্রদেয়;

          (খ)     যে কোনো একজনকে প্রদেয়।

 

(৪)     একজন প্রাপ্তবয়স্ক-

          (ক)     একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের পক্ষে, অথবা

          (খ)     যুগ্ম-নামে দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্কের পক্ষে,

          (গ)     তিনি স্বয়ং একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে যুগ্ম-নামে,

          (ঘ)     যথাযথ আদালত কর্তৃক কোনো  উন্মাদ ব্যক্তির অভিভাবক বা ম্যানেজার  নিযুক্ত  হইয়া

সঞ্চয়পত্র ক্রয় পদ্ধতিঃ

•   নির্ধারিত ফরম (এস.সি-১) যথাযথভাবে পুরণপূর্বক ত্রেতা ও নমিনী (যদি থাকে) প্রত্যেকের ০২ (দুই) কপি ছবি, ক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা পাসপোর্ট অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের    

     ফটোকপিসহ আবেদন করতে হবে।

•    চেক অথবা নগদে সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে চেকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে চেক নগদায়নের তারিখে সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা হবে;

 

[টীকা।- সঞ্চয়পত্র ক্রয় ফরমে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর অন্তর্ভূক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে উহা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। ক্রেতা জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করিতে অপারগ হইলে সেই ক্ষেত্রে পাসপোর্ট  অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর অন্তর্ভূক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে উহা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক হইবে ।]

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে ৬০ লক্ষ টাকা।

 

মেয়াদঃ ৩ (তিন) বছর।

 

মুনাফার হারঃ মেয়াদান্তে মুনাফা ১১.০৪%। মেয়াদপূর্তির পূর্বেও নগদায়ন করা যায়। তবে মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করিলে টেবিল-১ অনুযায়ী মুনাফা পাওয়া যাবে:

 

টেবিল-১: মুনাফার হার

সময়

মুনাফার হার

প্রতি ১ (এক) লক্ষ টাকায় মূলসহ মুনাফার পরিমাণ

১ম বছরান্তে

১০.০০%

১,১০,০০০.০০

২য় বছরান্তে

১০.৫০%

১,২১,০০০.০০

৩য় বছরান্তে

১১.০৪%

১,৩৩,১২০.০০

 

টীকাঃ ১ (এক) লক্ষ টাকায় তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফার কিস্তি সর্বোচ্চ ১১.০৪% হারে টাকা ২,৭৬০.০০ (দুই হাজার সাতশত ষাট) টাকা মাত্র প্রদেয় হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লেভি/মুনাফা কর্তন হবে। কিন্তু যেসকল ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে বিনিয়োগকৃত টাকা উত্তোলন করা হবে, সেক্ষেত্রে টেবিল-১ প্রদর্শিত হারে মুনাফা প্রদেয় হবে, এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা হতে কর্তন করে সমন্বয়পূর্বক অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

টেবিল-২: অভিহিত মূল্য অনুযায়ী ৩-মাস অন্তর মুনাফার পরিমাণ

 

বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ

প্রতি ১ (এক) লক্ষ টাকায় ৩-মাস অন্তর

মুনাফার পরিমাণ (টাকায়)

১,০০,০০০/=

২,৭৬০.০০

২,০০,০০০/=

৫,৫২০.০০

৫,০০,০০০/=

১৩,৮০০.০০

১০,০০,০০০/=

২৭,৬০০.০০

 

 

অন্যান্য সুবিধাঃ

  • এ সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশের যে কেউ ক্রয় করিতে পারিবেন;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়;
  • ক্রেতা মৃত্যুবরন করিলে নমিনী যেকোন সময় সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিতে পারিবেন। নমিনীর ইচ্ছানুযায়ী মেয়াদপূর্তির পূর্বে বা পরে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করিতে পারিবে;
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, পুড়িয়া গেলে বা নষ্ট হইলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক অফিস হইতে অন্য অফিসে স্থানান্তর করা যায় (সঞ্চয় ব্যুরো হইতে সঞ্চয় ব্যুরো, ব্যাংক হইতে ব্যাংক এবং ডাকঘর হইতে ডাকঘর);
  • সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের ফটোকপি এবং ক্রেতা ও নমিনী (যদি থাকে) প্রত্যেকের ০২ (দুই) কপি করিয়া পাসপোর্ট সাইজের ছবি দাখিল করিতে হইবে।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

মূল্যমানঃ

১০ টাকা; ৫০ টাকা; ১০০ টাকা; ৫০০ টাকা; ১,০০০ টাকা; ৫,০০০ টাকা; ১০,০০০ টাকা; ২৫,০০০ টাকা; ৫০,০০০ টাকা; ১,০০,০০০ টাকা; ৫,০০,০০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকা।

 

কোথায় পাওয়া যায়ঃ

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলী ব্যাংকসমূহ এবং ডাকঘর থেকে ক্রয় ও নগদায়ন করা যায়।

 

মেয়াদঃ

৫ (পাঁচ) বছর।

 

মুনাফার হারঃ

মেয়াদান্তে মুনাফা ১১.২৮%। তবে মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়ন করলে ১ম বছরান্তে ৯.৩৫%, ২য় বছরান্তে ৯.৮০%, ৩য় বছরান্তে ১০.২৫% এবং ৪র্থ বছরান্তে ১০.৭৫% হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে।

 

যারা ক্রয় করতে পারবেনঃ

(ক) সকল শ্রেণী ও পেশার বাংলাদেশী নাগরিক;

(খ) আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২) এর বিধি ৪৯-এর উপ-বিধি(২) এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত বভিষ্য তহবিল এবং বভিষ্য তহবিল আইন, ১৯২৫(১৯২৫ এর ১৯ নং) অনুযায়ী ভবিষ্য তহবিল;

(গ) আযকর আধ্যাদেশ-১৯৮৪ এর ৬ষ্ঠ তফষিল এর পার্ট এ এর অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুযায়ী মৎস খামার, হাঁস-মুরগীর খামার, পেলিটেট পোলট্রি ফিডস উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, স্তানীয় উৎপাদিত বীজ বিপণন, গবাদি পশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্দজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার, ছত্রা উৎপাদন এবং ফল ও লতা পাতার চাষ হতে অর্জিত আয়-যা সংশ্লিষ্ট উপ-কমিশনার কর্তৃক প্রত্যায়নকৃত।

(ঘ) নাবালকের পক্ষেও ক্রয় করা যায়।

 

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমাঃ

(ক) ব্যক্তির ক্ষেত্রেঃ একক নামে ৩০ লক্ষ অথবা যুগ্ম-নামে৬০ লক্ষ।

(খ) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ ঊর্ধ্বসীমা নেই।

 

অন্যান্য সুবিধাঃ

  • একমেয়াদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃবিনিয়োগ সুবিধা বিদ্যমান;
  • নমিনী নিয়োগ করা যায়; ক্রেতা মৃত্যুবরন করলে নমিনী যেকোন সময় সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন। নমিনী ইচ্ছা করলে মেয়াদপূর্তি করেও সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবে;
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, পুড়ে গেলে বা নষ্ট হলে ডুপ্লিকেটসঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়;
  • সঞ্চয়পত্র এক অফিস হতে অন্য অফিসে স্থানান্তর করা যায় (সঞ্চয়পত্র ব্যুরো হতে সঞ্চয় ব্যুরো, ব্যাংক হতে ব্যাংক এবং ডাকঘর হতে ডাকঘর);
  • সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোন কারনে বিনষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যায়।

তথ্যসূত্র : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

বিগত ১৪ বছরের আয়করের হার (ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে)

Assessment
Year
1st Slab
(Income Tax Rates)
2nd  Slab
(Income Tax Rates)
3rd  Slab
(Income Tax Rates)
4th Slab
(Income Tax Rates)
5th Slab
(Income Tax Rates)
Minimum Tax
2003-2004 On the first taka
90,000 of total
income-Nil
On the next taka
1,50,000 of total
income-(10%)
On the next taka
1,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,200
2004-2005 On the first taka
1,00,000 of total
 income-Nil
On the next taka
2,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,500
2005-2006 On the first taka
1,00,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
2,50,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,500
2006-2007 On the first taka
1,20,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,50,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,50,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   1,800
2007-2008 On the first taka
1,50,000 of total
income-Nil
On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2008-2009

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>70 of man,
women and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.1,80,000

 

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2009-2010

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
1,80,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,00,000

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2010-2011

On the first taka
1,65,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
1,80,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,00,000

On the next taka
2,75,000 of total
income-(10%)
On the next taka
3,25,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,75,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2011-2012

On the first taka
1,80,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,50,000

On the next taka
3,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)
Tk.   2,000
2012-2013

On the first taka
2,00,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,25,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  2,75,000

On the next taka
3,00,000 of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000 of total
income-(15%)
On the next taka
3,00,000 of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)

Tk.. 3,000/-

 

2013-2014 On the first taka
2,20,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,75,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,50,000
On the next taka
3,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000of total
income-( 15%)
On the next taka
3,00,000of total
income-(20%)
On the balance of
total income-(25%)

Tk.. 3,000/- For
City Corporatins
areas

2,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

1,000/- For
Other areas

2014-2015

On the first taka
2,20,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
2,50,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,00,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
3,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
4,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 3,000/- For
City Corporatins
areas

2,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

1,000/- For
Other areas

2015-2016

On the first taka
2,50,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
3,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,75,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
4,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
6,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 5,000/- For
City Corporatins
areas

4,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

3,000/- For
Other areas

2016-2017

On the first taka
2,50,000 of total
income-Nil
Provided that,
age=>65 of man,
women 1st slab is
3,00,000 and
handicapped person’s
1st slab is
Tk.  3,75,000 and
freedom fighter
injured in liberation
war is Tk 4,25,000

On the next taka
4,00,000of total
income-(10%)
On the next taka
5,00,000of total
income-(15%)
On the next taka
6,00,000of total
income-(20%)
5th slab on the next
Taka 30,00,000 of
total income 25%
and six slab On the
balance of
total income-(30%)

Tk.. 5,000/- For
City Corporatins
areas

4,000/- For District
Headquarters &
Purashaba areas

3,000/- For
Other areas

 

Savings Instrument এর বিপরীতে প্রাপ্ত সুদ রিটার্নে প্রদর্শন সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
রাজস্ব ভবন, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০।
[কর নীতি শাখা]

নথি নং- ০৮.০১.০০০০.০৩০.০৭.০০৮.২১৫/১৩১                  তারিখ:  ৩০ ভাদ্র ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ খ্রিঃ

 

বিষয়ঃ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত savings instruments এর বিপরীতে প্রাপ্ত সুদ আয় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন সংক্রান্ত।

অর্থ আইন, ২০১৫ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর 82C ধারায় পরিবর্তন এনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত যে কোন savings instruments এর সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য করার বিধান করা হয়েছে। savings instruments এর সুদ আয় সুনির্দিষ্ট ও প্রামাণিক দলিলাদি দ্বারা সমর্থিত। এরূপ সুদ আয় আয়কর রিটার্নে কিভাবে প্রদর্শিত হবে সে বিষয়ে বিভিন্ন মহলের জিজ্ঞাসা রয়েছে মর্মে অবহিত হওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ মর্মে স্পষ্টীকরণ করেছে যে, বর্ণিত savings instruments এর উপর প্রাপ্ত গ্রস সুদ আয়কর রিটার্নের আয়ের বিবরণী অংশে নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ অংশে প্রদর্শন করতে হবে, যা মোট আয় নিরূপণে অন্তর্ভূক্ত হবে। যেহেতু এরূপ সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর উক্ত সুদ আয়ের চুড়ান্ত করদায় পরিশোধ হিসেবে গণ্য হবে, তাই করদায় পরিগণনায় প্রথমে উক্ত সুদ আয় ব্যতিত অপরাপর খাতের করযোগ্য আয়ের উপর প্রযোজ্য আয়করের হিসাব করতে হবে। এরপর সে অংকের সাথে savings instruments এর সুদের উপর কর্তিত কর যোগ করে ‘মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়কর’ এর পরিমাণ নির্ণিত হবে।

উদাহরণ হিসেবে, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ধেকে ১ জুলাই ২০১৪ তারিখে করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার গ্রস সুদ আয় হয়েছে ৩,০০,০০০/- টাকা। এর উপর ৫% হারে উৎস কর বাবদ ১৫,০০০/- টাকা কর্তন করে অবশিষ্ট ২,৮৫,০০০/- টাকা করদাতাকে পরিশোধ করা হয়েছে। করদাতার ২০১৪-১৫ আয় বছরে বেতনাদি খাতে করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ছিল ৪,০০,০০০/- টাকা এবং গৃহ সম্পত্তি খাতে আয়ের পরিমাণ ছিল ১,৮০,০০০/- টাকা। মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকা ১ জুলাই - ৩০ জুন সময়ের আয় বছর অনুসরন করেন। আলোচ্য সময়ে করদাতার রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগের পরিমান ছিল ২,০০,০০০/- টাকা।

বর্ণিত ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রের সুদ ব্যতিত করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার অপরাপর খাতের আয়ের পরিমাণ ৫,৮০,০০০/- টাকা এবং তার উপর প্রযোজ্য করের পরিমান ২৮,০০০/- টাকা। সঞ্চয়পত্রের সুদ খাতে উৎস কর্তিত করের পরিমাণ ১৫,০০০/- টাকা। ফলে করদাতার করদায়ের পরিমাণ হবে (২৮০০০+১৫০০০)= ৪৩,০০০ টাকা, যা আয়কর রিটার্নে নিম্নরূপে প্রদর্শিত হবে:

 

করদাতার আয় বিবরণী
৩০.০৬.২০১৫ তারিখে সমাপ্ত আয় বৎসরের আয়ের বিবরণী

টাকার পরিমাণ টাকার পরিমাণ
১। বেতনাদি: ধারা ২১ অনুযায়ী (তফসিল ১ অনুসারে) ৪,০০,০০০
২। নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ: ধারা ২২ অনুযায়ী
    (সঞ্চয়পত্রের গ্রস সুদ)
৩,০০,০০০
৩। গৃহ সম্পত্তির আয়: ধারা ২৪ অনুযায়ী (তফসিল ২ অনুসারে) ১,৮০,০০০
১০। মোট আয় (ক্রমিক ১ হতে ৯) ৮,৮০,০০০
১১। বিদেশ থেকে আয় ৮,৮০,০০০
১৩। মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়কর
(চুড়ান্ত করদায়ের অংকসহ)
 

 

সঞ্চয়পত্রের সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত কর এ খাতের আয়ের চূড়ান্ত করদায় বিধায় আয়কর রেয়াতের জন্য মোট আয়ের ৩০% (বর্তমানে প্রযোজ্য) অংক নিরূপণে সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় অন্তর্ভুক্ত হবে না। উদাহরণে উল্লিখিত করদাতা মিজ্ সেহেলা সিদ্দিকার ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াতের জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৫,৮০,০০০/- টাকার ৩০% অর্থাৎ ১,৭৪,০০০/- টাকা।

এ স্পষ্টীকরণ savings instruments এর সুদ আয়ের উপর উৎসে কর্তিত করের ভিত্তিতে আয় পরিগণনা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী ব্যাখ্যা/স্পষ্টীকরনের উপর প্রাধিকারপ্রাপ্ত বলে গণ্য হবে।

মোঃ শব্বির আহমদ
প্রথম সচিব (কর নীতি)

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়
(৬) ফার্মের আয়ের অংশ
(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়

(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয় (আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৪৩ (৪) ধারা অনুযায়ী)ঃ
করদাতার স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানদের নামে যদি পৃথকভাবে আয়কর নথি না থাকে কিন্তু তাদের  নামে অর্জিত সম্পত্তি থেকে  আয় থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের নামে অর্জিত আয় রিটার্নের এই ঘরে দেখাতে হবে।

 

আয়কর আইনে কি ধরনের আয় হিসেবে আনতে হবে অর্থাৎ আয়ের খাতসমূহ : ফার্মের আয়ের অংশ

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা-২০ মোতাবেক আয়কর ধার্য্যরে জন্য এবং মোট আয় নির্ণয়ের জন্য সকল আয়কে নিম্নেবর্ণিত খাতে বিভক্ত করে হিসাবে করতে হবে, যথাঃ

(১) বেতন

(২) নিরাপত্তা (সিকিউরিটির) উপর সুদ
(৩) গৃহ সম্পত্তি হতে  আয়
(৪) কৃষি আয়
(৫) ব্যবসা বা পেশা হতে আয়

(৬) ফার্মের আয়ের অংশঃ
করদাতা কোন অংশীদারি ফার্মের অংশীদার হলে ফার্ম থেকে পাওয়া তার আয়ের অংশ এ ঘরে দেখাবেন। এ আয়ের উপর করদাতা গড় হারে আয়কর রেয়াত পাবেন। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলোঃ
ধরা যাক, মিসেস সুম্মা জাহিরা একটি ফার্মের ১/৩ অংশের অংশীদার। সংশ্লিষ্ট বছরে ঐ ফার্ম ২,৮৫,০০০/- টাকা মুনাফা করেছে। ঐ অংশীদারি ফার্মে তার মুনাফার হিস্যা ৯৫,০০০/- টাকা। এছাড়া তার গৃহ স¤পত্তির নীট আয় ৩,২০,০০০/-টাকা। তার মোট আয় ৪,১৫,০০০/- টাকা। ২০১৬-২০১৭ কর বছরের আয়করের হার অনুযায়ী প্রদেয় করের পরিমাণ ১৬,৫০০/- টাকা। ফার্মের অংশীদারি আয়ের জন্য করদাতা যে রেয়াত পাবেন এবং রেয়াত পাওয়ার পরে তাকে যে পরিমাণ কর পরিশোধ করতে হবে তা এ রকমঃ
মোট প্রদেয় কর× ফার্মের অংশীদারী আয়   =                 ১৬,৫০০× ৯৫,০০০
    মোট আয়                                                          ৪,১৫,০০০
অর্থাৎ ফার্মের করারোপিত আয়ের উপর কর পরিশোধ    = ৩,৭৭৭ টাকা।
করদাতার নীট প্রদেয় করের পরিমাণঃ ১৬,৫০০-৩,৭৭৭ = ১২,৭২৩ টাকা।

(৭) অন্যান্য উৎস হতে আয়
(৮) মূলধনী আয়
(৯) স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের আয়